Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ এর উল্লেখযোগ্য বিষয় সমূহঃ
৮। শিক্ষক নিয়োগ কমিটি।
—(১) সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করিবার জন্য সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি নামে একটি কমিটি গঠন করিবে।
(২) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক উক্ত কমিটির চেয়ারম্যান হইবেন।
(৩) উক্ত কমিটির সদস্য সংখ্যা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে এবং তাহারা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
(৪) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের প্রতিনিধি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত থাকিবেন।
(৫) কমিটির সদস্য-সচিব হিসাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৬) উক্ত কমিটি প্রত্যেক উপজেলা বা থানার জন্য আলাদাভাবে প্রার্থীগণের মেধা তালিকা প্রণয়ন করিবে।
২০১৯ এর নিয়োগবিধিতে প্রধান শিক্ষক পদে ৬৫% সহকারী শিক্ষক থেকে পদোন্নতির ব্যবস্থা ছিল। বর্তমানে এটিকে বৃদ্ধি করে ৮০% করেছে।
শারীরিক শিক্ষা ও সংগীত নামে দুই ধরনের পদের অন্তর্ভুক্তি হয়েছে।
নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষায় : বাংলায় ২৫ নম্বর ,ইংরেজিতে ২৫ নম্বর, গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান ২০ নম্বর, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ২০ নম্বর, মোট ৯০ নম্বর। সর্বনিম্ন পাস নম্বর হচ্ছে ৫০%। আর এ লিখিত পরীক্ষার সময় হচ্ছে ৯০ মিনিট।
মৌখিক পরীক্ষা হবে ১০ নম্বরের মধ্যে। এখানেও পাঁস নম্বর ৫০%।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ মৌখিক পরীক্ষার জন্য যোগ্য বিবেচিত হইবেন।
(ছ) “মৌলিক প্রশিক্ষণ” অর্থ কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়/বোর্ড/ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন (সিইনএড) বা ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন (ডিপিএড) বা বেসিক ট্রেনিং ফর প্রাইমারী টিচার্স (বিটিপিটি) অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সমমানের কোনো প্রশিক্ষণ;
(৩) এই বিধিমালার অধীন নিয়োগ কার্যক্রম শূন্য পদের ভিত্তিতে উপজেলা বা ক্ষেত্রমত, থানাভিত্তিক হইবে।
(৪) কোনো শিক্ষানবিশকে কোনো নির্দিষ্ট পদে স্থায়ী করা হইবে না যতক্ষণ না, সরকারি আদেশবলে, সময় সময়, যে পরীক্ষা ও মৌলিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, সেই পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হন ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
(৫) কোনো পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চাকরিতে যোগদানের পর অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের মধ্যে মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করিতে হইবে।
(৬) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার তারিখে ১২তম গ্রেডে কর্মরত প্রশিক্ষণবিহীন কোনো প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড ১০ম গ্রেডে উন্নীত হইবার তারিখ হইতে ১৮ (আঠারো) মাসের মধ্যে মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ সমাপ্ত করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন না করিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে বেতন গ্রেডের নিম্ন ধাপে অবনমন করা হইবে।
(৭) উপ-বিধি (৫) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি ৫০ (পঞ্চাশ) বৎসর বয়সে পদার্পণ করিলে এবং তাহার চাকরিকাল সন্তোষজনক বিবেচিত হইলে, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা ও মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা শিথিলপূর্বক তাহার চাকরি স্থায়ী করিতে পারিবে।
(ক) শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা ও, ক্ষেত্রমত, থানাভিত্তিক হইবে;
(খ) এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৯৩% পদ মেধাভিত্তিক প্রার্থীগণের দ্বারা, তন্মধ্যে ২০% পদ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীগণের দ্বারা এবং ৮০% পদ অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীগণের দ্বারা মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হইবে;
(গ) এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৫% পদ মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের মধ্য হইতে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হইবে;
(ঘ) এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ১% পদ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রার্থীগণের মধ্য হইতে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হইবে; এবং
(ঙ) এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ১% পদ শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীগণের মধ্য হইতে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, দফা (গ), (ঘ) ও (ঙ) এর কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে উক্ত পদসমূহ উপজেলা/থানার সাধারণ মেধাভিত্তিক প্রার্থীগণের মধ্য হইতে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করা যাইবে:
মন্তব্য করুন

ব্লগ