বর্গাকার বা আয়তাকার জমির ক্ষেত্রফল:
ত্রিভুজাকার জমির ক্ষেত্রফল:
½ × ভূমি × উচ্চতা অথবা হেরন সূত্র ব্যবহার করা হয়। সাধারণ জমি পরিমাপ:
প্রথমে জমির চারপাশে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মেপে গড় দৈর্ঘ্য ও গড় প্রস্থ বের করে ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হয়। অন্যান্য পরিমাপ:
বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সম্পর্ক (যেমন ১ কাঠা = ১৬ ছটাক = ৭২০ বর্গফুট, ১ বিঘা = ২০ কাঠা = ১৪,৪০০ বর্গফুট) জানা জরুরি।
বিভিন্ন আকৃতির জমির পরিমাপের সূত্র:
বর্গাকার বা আয়তাকার জমি:
- সূত্র: ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
- উদাহরণ: একটি জমির দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট এবং প্রস্থ ৫০ ফুট হলে, এর ক্ষেত্রফল হবে ৬০ × ৫০ = ৩০০০ বর্গফুট।
ত্রিভুজাকার জমি:
- সূত্র: ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা।
- বিকল্প (হেরন সূত্র): যদি জমির তিন বাহুর দৈর্ঘ্য জানা থাকে (a, b, c), তবে প্রথমে अर्धপরিসীমা বের করতে হবে: s = (a + b + c) ÷ 2। এরপর ক্ষেত্রফল হবে: √{s(s-a)(s-b)(s-c)}।
- অনিয়মিত বা অনেক কোণযুক্ত জমিকে প্রথমে কয়েকটি সহজ আকৃতিতে ভাগ করে নিতে হবে।
- এরপর প্রতিটি অংশের ক্ষেত্রফল বের করে যোগ করলে পুরো জমির মোট ক্ষেত্রফল পাওয়া যাবে।
জমি পরিমাপের ধাপ (সাধারণ পদ্ধতি): 1. জমির সীমানা নির্ধারণ:
প্রথমে জমিটির চারপাশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপতে হবে।
2. গড় দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয়:
প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গড় বের করতে হবে।
3. ক্ষেত্রফল নির্ণয়:
গড় দৈর্ঘ্য এবং গড় প্রস্থ গুণ করে জমির ক্ষেত্রফল বর্গফুট এককে বের করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপের একক: ১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট, ১ কাঠা = ১৬ ছটাক = ৭২০ বর্গফুট, ১ বিঘা = ২০ কাঠা = ১৪,৪০০ বর্গফুট, ১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট.
সংগৃহীত
৬
১২ মন্তব্য