Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ

জমি মাপার মূল সূত্র, বর্গাকার বা আয়তাকার জমির ক্ষেত্রফল:
জমি মাপার মূল সূত্র হলো:
  • বর্গাকার বা আয়তাকার জমির ক্ষেত্রফল:
    দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। 
  • ত্রিভুজাকার জমির ক্ষেত্রফল:
    ½ × ভূমি × উচ্চতা অথবা হেরন সূত্র ব্যবহার করা হয়। 
  • সাধারণ জমি পরিমাপ:
    প্রথমে জমির চারপাশে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মেপে গড় দৈর্ঘ্য ও গড় প্রস্থ বের করে ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হয়। 
  • অন্যান্য পরিমাপ:
    বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সম্পর্ক (যেমন ১ কাঠা = ১৬ ছটাক = ৭২০ বর্গফুট, ১ বিঘা = ২০ কাঠা = ১৪,৪০০ বর্গফুট) জানা জরুরি। 
বিভিন্ন আকৃতির জমির পরিমাপের সূত্র:
  • বর্গাকার বা আয়তাকার জমি:
    • সূত্র: ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
    • উদাহরণ: একটি জমির দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট এবং প্রস্থ ৫০ ফুট হলে, এর ক্ষেত্রফল হবে ৬০ × ৫০ = ৩০০০ বর্গফুট।
  • ত্রিভুজাকার জমি:
    • সূত্র: ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা।
    • বিকল্প (হেরন সূত্র): যদি জমির তিন বাহুর দৈর্ঘ্য জানা থাকে (a, b, c), তবে প্রথমে अर्धপরিসীমা বের করতে হবে: s = (a + b + c) ÷ 2। এরপর ক্ষেত্রফল হবে: √{s(s-a)(s-b)(s-c)}। 
অনিয়মিত জমির ক্ষেত্রে: 
  • অনিয়মিত বা অনেক কোণযুক্ত জমিকে প্রথমে কয়েকটি সহজ আকৃতিতে ভাগ করে নিতে হবে।
  • এরপর প্রতিটি অংশের ক্ষেত্রফল বের করে যোগ করলে পুরো জমির মোট ক্ষেত্রফল পাওয়া যাবে।
জমি পরিমাপের ধাপ (সাধারণ পদ্ধতি): 
  1. 1. জমির সীমানা নির্ধারণ:
    প্রথমে জমিটির চারপাশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপতে হবে।
  2. 2. গড় দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয়:
    প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গড় বের করতে হবে।
  3. 3. ক্ষেত্রফল নির্ণয়:
    গড় দৈর্ঘ্য এবং গড় প্রস্থ গুণ করে জমির ক্ষেত্রফল বর্গফুট এককে বের করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপের একক: ১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট, ১ কাঠা = ১৬ ছটাক = ৭২০ বর্গফুট, ১ বিঘা = ২০ কাঠা = ১৪,৪০০ বর্গফুট, ১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট. 
সংগৃহীত 

মন্তব্য করুন

ব্লগ