Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ

আল্লাহ তা'আলা বলেন তোমরা আল্লাহর কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে

৫৫ : ৭১

 

فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ﴿ۚ۷۱﴾ 

فبای الآء ربكما تكذبن ﴿۷۱﴾
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?

-আল-বায়ান

অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে?

-তাইসিরুল

সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

-মুজিবুর রহমান

So which of the favors of your Lord would you deny? -

-Sahih International

৭১. কাজেই তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন অনুগ্রহে মিথ্যারোপ করবে?

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭১) অতএব তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতি-পালকের কোন্ কোন্ অনুগ্রহকে মিথ্যাজ্ঞান করবে?

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৫ : ৭২

 

حُوۡرٌ مَّقۡصُوۡرٰتٌ فِی الۡخِیَامِ ﴿ۚ۷۲﴾ 

حور مقصورت فی الخیام ﴿۷۲﴾
তারা হূর, তাঁবুতে থাকবে সুরক্ষিতা।

-আল-বায়ান

(সুসজ্জিত) প্যাভিলিয়নে সুরক্ষিত থাকবে সুলোচনা সুন্দরীরা।

-তাইসিরুল

তারা তাবুতে সুরক্ষিত হুর।

-মুজিবুর রহমান

Fair ones reserved in pavilions -

-Sahih International

৭২. তারা হূর, তাঁবুতে সুরক্ষিতা।(১)

(১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “জন্নাতে এমন একটি মুক্তার খীমা থাকবে যার অভ্যন্তরভাগ ফাঁকা থাকবে। যার আয়তন হবে ষাট মাইল। তার প্রতিটি কোণে মু'মিনের যে পরিবার থাকবে অন্য কোণের লোকজন তাদের দেখতে পাবে না। মুমিনরা সেগুলোয় ঘুরাপিরা করবে। [বুখারী: ৪৮৭৯, মুসলিম: ২৮৩৮]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭২) তারা তাঁবুতে সুরক্ষিত হুর।[1]

[1] হাদীসে নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, ‘‘জান্নাতে মোতির তাঁবু হবে। তার প্রস্থ হবে ৬০ মাইল। তার প্রতি কোণে থাকবে জান্নাতীর (সুন্দরী) স্ত্রী। যাকে অপর কোণের লোকেরা দেখতে পাবে না। মু’মিন তাতে বিচরণ করবে।’’ (বুখারীঃ সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, মুসলিমঃ জান্নাত অধ্যায়)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৫ : ৭৩

 

فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ﴿ۚ۷۳﴾ 

فبای الآء ربكما تكذبن ﴿۷۳﴾
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?

-আল-বায়ান

অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে?

-তাইসিরুল

সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

-মুজিবুর রহমান

So which of the favors of your Lord would you deny? -

-Sahih International

৭৩. কাজেই তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন অনুগ্রহে মিথ্যারোপ করবে?

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭৩) অতএব তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতি-পালকের কোন্ কোন্ অনুগ্রহকে মিথ্যাজ্ঞান করবে?

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৫ : ৭৪

 

لَمۡ یَطۡمِثۡهُنَّ اِنۡسٌ قَبۡلَهُمۡ وَ لَا جَآنٌّ ﴿ۚ۷۴﴾ 

لم یطمثهن انس قبلهم و لا جآن ﴿۷۴﴾
যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোন জিন ।

-আল-বায়ান

পূর্বে যাদেরকে স্পর্শ কোন মানুষেও করেনি, কোন জ্বিনেও করেনি।

-তাইসিরুল

তাদেরকে ইতোপূর্বে কোন মানুষ অথবা জিন স্পর্শ করেনি।

-মুজিবুর রহমান

Untouched before them by man or jinni -

-Sahih International

৭৪. এদেরকে এর আগে কোন মানুষ অথবা জিন স্পর্শ করেনি।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭৪) তাদেরকে তাদের পূর্বে কোন মানুষ অথবা জ্বিন স্পর্শ করেনি।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৫ : ৭৫

 

فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ﴿ۚ۷۵﴾ 

فبای الآء ربكما تكذبن ﴿۷۵﴾
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?

-আল-বায়ান

অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে?

-তাইসিরুল

সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

-মুজিবুর রহমান

So which of the favors of your Lord would you deny? -

-Sahih International

৭৫. কাজেই তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন অনুগ্রহে মিথ্যারোপ করবে?

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭৫) অতএব তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতি-পালকের কোন্ কোন্ অনুগ্রহকে মিথ্যাজ্ঞান করবে?

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৫ : ৭৬

 

مُتَّكِـِٕیۡنَ عَلٰی رَفۡرَفٍ خُضۡرٍ وَّ عَبۡقَرِیٍّ حِسَانٍ ﴿ۚ۷۶﴾ 

متكـٕین علی رفرف خضر و عبقری حسان ﴿۷۶﴾
তারা সবুজ বালিশে ও সুন্দর কারুকার্য খচিত গালিচার উপর হেলান দেয়া অবস্থায় থাকবে।

-আল-বায়ান

তারা হেলান দিবে সবুজ তাকীয়াহ্ আর সুন্দর সুসজ্জিত গালিচার উপরে,

-তাইসিরুল

তারা হেলান দিয়ে বসবে সবুজ তাকিয়ায় ও সুন্দর গালিচার উপর।

-মুজিবুর রহমান

Reclining on green cushions and beautiful fine carpets.

-Sahih International

৭৬. তারা হেলান দিয়ে বসবে সবুজ তাকিয়ায় ও সুন্দর গালিচার উপরে।(১)

(১) رَفْرَف এর অর্থ সবুজ রঙের রেশমী বস্ত্ৰ। এর দ্বারা বিছানা, বালিশ ও অন্যান্য বিলাস সামগ্ৰী তৈরি করা হয়। এমনকি এর উপর বৃক্ষ ও ফুলের কারুকার্যও করা হয়। عَبْقَرِيٌّ অর্থ সুশ্ৰী ও উৎকৃষ্ট বস্ত্ৰ। [কুরতুবী; ইবন কাসীর]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭৬) তারা হেলান দিয়ে বসবে সবুজ বালিশে ও সুন্দর গালিচার উপরে। [1]

[1] رَفْرَفٍ মসনদ, বালিশ, গালিচা অথবা এই ধরনের উৎকৃষ্ট বিছানা। عَبْقَرِيٍّ প্রত্যেক উৎকৃষ্ট ও মূল্যবান জিনিসকে বলা হয়। নবী করীম (সাঃ) উমার (রাঃ)-এর ক্ষেত্রে এই শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। (فَلَمْ أَرَ عَبْقَرِياًّ يَفْرِيْ فَرْيَهُ) ‘‘আমি কোন প্রতিভাশালী ব্যক্তি এমন দেখি নি, যে উমারের মত কাজ করতে পারে।’’ (বুখারীঃ মানাক্বিব) এখানে উদ্দেশ্য, অত্যন্ত সৌন্দর্যময় গালিচা। অর্থাৎ, জান্নাতীরা এমন আসনে হেলান দিয়ে উপবেশন করবে, যার উপর সবুজ রঙের মসনদ, গালিচা এবং কারুকার্য-খচিত উৎকৃষ্টমানের বিছানা বিছানো থাকবে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৫ : ৭৭

 

فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ﴿۷۷﴾ 

فبای الآء ربكما تكذبن ﴿۷۷﴾
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নি‘আমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?

-আল-বায়ান

অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে?

-তাইসিরুল

সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

-মুজিবুর রহমান

So which of the favors of your Lord would you deny?

-Sahih International

৭৭. কাজেই তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন অনুগ্রহে মিথ্যারোপ করবে?

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭৭) অতএব তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ অনুগ্রহকে মিথ্যাজ্ঞান করবে? [1]

 [1] এই আয়াতটি এই সূরার মধ্যে একত্রিশ বার এসেছে। মহান আল্লাহ এই সূরায় তাঁর বিভিন্ন প্রকার নিয়ামত ও অনুগ্রহের কথা উল্লেখ করেছেন এবং প্রত্যেক নিয়ামত বা কয়েকটি নিয়ামত উল্লেখ করার পর মানব-দানবকে এ কথা জিজ্ঞাসা করেছেন। এমন কি হাশরের মাঠের ভয়াবহতা এবং জাহান্নামের শাস্তির কথা উল্লেখ করার পরও এই জিজ্ঞাসার পুনরাবৃত্তি করেছেন। যার অর্থ এই যে, পরকাল সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেওয়াও অতি বড় নিয়ামত। যাতে পরকালের শাস্তি থেকে নিষ্কৃতি পেতে আগ্রহীরা তা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার প্রচেষ্টা করে। দ্বিতীয় কথা এটাও জানা গেল যে, জ্বিনরাও মানুষদের মত আল্লাহর একটি সৃষ্টি। বরং মানুষের পর জ্বিনরাই হল দ্বিতীয় এমন সৃষ্টি, যাদেরকে বিবেক-বুদ্ধি দানে ধন্য করা হয়েছে। আর এর বিনিময়ে তাদের নিকট কেবল এতটুকু চাওয়া হয়েছে যে, তারা যেন একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করে। তাঁর সাথে যেন অন্য কাউকে অংশীদার স্থাপন না করে।

সৃষ্টিকুলের এই উভয় সম্প্রদায়ই এমন, যাদের উপর শরীয়তের বিধি-বিধান এবং তার ফরয কার্যাদির ভার আরোপ করা হয়েছে। আর এরই জন্য তাদেরকে ইচ্ছা ও এখতিয়ারের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে; যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করা হয়। তৃতীয়তঃ নিয়ামতসমূহের বর্ণনা থেকে এটাও প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহর নিয়ামতসমূহ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ ও মুস্তাহাব। এটা বিষয়-বিরাগ, পরহেযগারী ও আল্লাহভীরুতার বিপরীতও নয় এবং আল্লাহর প্রতি আস্থার পরিপন্থীও নয়। যেমন কোন কোন সূফীবাদীরা এ শ্রেণীর ধারণা পোষণ করে বা করায়। চতুর্থতঃ বারংবার এ প্রশ্ন যে, ‘‘তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ অনুগ্রহকে মিথ্যাজ্ঞান করবে বা অস্বীকার করবে?’’ এটা ধমক ও হুমকি প্রদর্শন স্বরূপ। যার উদ্দেশ্য হল সেই আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বিরত থাকা, যিনি এ সমস্ত নিয়ামত সৃষ্টি ও সুলভ করেছেন। তাই নবী কারীম (সাঃ) উক্ত জিজ্ঞাসার উত্তরে (নিম্নের) এই দু’আটি পড়া পছন্দ করেছেন। (لاَ بِشَيْءٍ مِّنْ نِّعَمِِكَ رَبَّنَا نُكَذِّبُ فَلَكَ الْحَمْدُ) ‘‘হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমার কোন নিয়ামতকে মিথ্যা মনে করি না। সুতরাং তোমারই সমস্ত প্রশংসা।’’ (তিরমিযী, সিলসিলাহ সাহীহাহ আলবানী) তবে নামাযের মধ্যে (ইমাম সুযোগ না দিলে অথবা উচ্চস্বরে) দু’আটি পাঠ করা বিধেয় নয়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৫ : ৭৮

 

تَبٰرَكَ اسۡمُ رَبِّكَ ذِی الۡجَلٰلِ وَ الۡاِكۡرَامِ ﴿۷۸﴾ 

تبرك اسم ربك ذی الجلل و الاكرام ﴿۷۸﴾
তোমার রবের নাম বরকতময়, যিনি মহামহিম ও মহানুভব।

-আল-বায়ান

মাহাত্ম্য ও সম্মানের অধিকারী তোমার প্রতিপালকের নাম বড়ই কল্যাণময়।

-তাইসিরুল

কত মহান তোমার রবের নাম যিনি মহিমাময় ও মহানুভব!

-মুজিবুর রহমান

Blessed is the name of your Lord, Owner of Majesty and Honor.

-Sahih International

৭৮. কত বরকতময় আপনার রবের নাম যিনি মহিমাময় ও মহানুভব!(১)

(১) সূরা আর-রহমানে বেশির ভাগ আল্লাহ তা'আলার অবদান ও মানুষের প্রতি অনুগ্রহ বর্ণিত হয়েছে। উপসংহার। সার-সংক্ষেপ হিসেবে বলা হয়েছেঃ আল্লাহর পবিত্র সত্তা অনন্য। তাঁর নামও খুব পুণ্যময়। তার নামের সাথেই এসব অবদান কায়েম ও প্রতিষ্ঠিত আছে। [কুরতুবী; ইবন কাসীর]। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায়ের পরে বসা অবস্থায় বলতেন, اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلامُ وَمِنْكَ السَّلامُ ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلالِ وَالإِكْرَامِ “হে আল্লাহ্‌, আপনি সালাম (শান্তি নিরাপত্তা প্রদানকারী), আপনার পক্ষ থেকেই সালাম (শান্তি ও নিরাপত্তা) আসে। আপনি বরকতময়, হে মহিমাময় মহানুভব।” [মুসলিম: ৫৯১, ৫৯২] কোন বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা ‘ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ বলে বেশী বেশী করে সার্বক্ষনিক আল্লাহর কাছে চাও”। [তিরমিযী: ৩৫২২, মুসনাদে আহমাদ: ৪/১৭৭]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭৮) কত মহান তোমার মহিমময়, [1] মহানুভব প্রতিপালকের নাম!

[1] تَبَارَكَ শব্দটি بركة থেকে উদ্ভূত। যার অর্থ, চিরত্ব ও স্থায়িত্ব। অর্থাৎ, তাঁর নাম চিরন্তন ও চিরস্থায়ী। অথবা তাঁর নিকট সর্বদাই বরকত ও কল্যাণের ভান্ডার বিদ্যমান। কেউ কেউ তার অর্থ করেছেন, আল্লাহর মহিমা, গৌরব ও মর্যাদার উচ্চতা। আর যাঁর নাম এত বরকতময় তথা এত কল্যাণ ও উচ্চতার অধিকারী, তখন তাঁর সত্তা কতই না কল্যাণময় এবং কতই না বড়ত্ব ও উচ্চতার 

মন্তব্য করুন

ব্লগ