Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৬:১৯ পূর্বাহ্ণ

কচুরমুখীর প্রধান পুষ্টিগুণগুলো তুলে ধরা হলো

কচুরমুখী (Colocasia esculenta) বা কচু শাক আমাদের উপমহাদেশে বহুল পরিচিত একটি সবজি। এটি শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুরকচুরমুখী সাধারণত তরকারি, ভর্তা বা ভাজি হিসেবে খাওয়া হয়।

নিচে কচুরমুখীর প্রধান পুষ্টিগুণগুলো তুলে ধরা হলো:

 

কচুরমুখীর পুষ্টিগুণ (প্রতি ১০০ গ্রামে)

(প্রায় গড় হিসাব):

পুষ্টি উপাদান

পরিমাণ

শক্তি (ক্যালরি)

১১২ কিলোক্যালরি

কার্বোহাইড্রেট

২৬ গ্রাম

প্রোটিন

১.৫ গ্রাম

ফ্যাট

০.২ গ্রাম

ফাইবার

৪.১ গ্রাম

ক্যালসিয়াম

৪৩ মি.গ্রা.

ফসফরাস

১০ শতাংশ ডেইলি ভ্যালু

আয়রন

০.৫ মি.গ্রা.

ভিটামিন C

৫.০ মি.গ্রা.

পটাসিয়াম

৫৮৪ মি.গ্রা.

 

🌿 কচুরমুখীর উপকারিতা

1.   হজমে সহায়কএতে থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

2.  💪 শক্তির উৎসএতে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে শক্তি জোগায়।

3. 🩺 হৃদপিণ্ডের জন্য ভালোপটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

4.   🦴 হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারীক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় শক্ত রাখতে সাহায্য করে।

5.  ️‍🩹 রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সহায়কআয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে।

 

⚠️ সতর্কতা

  • কচুরমুখী ঠিকমতো না রান্না করলে গলা চুলকাতে পারে। এতে অক্সালেট নামক একটি যৌগ থাকে যা সঠিকভাবে রান্না না হলে চুলকানি ও অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।
  • তাই ভালো করে সিদ্ধ করে রান্না করা উচিত।


মন্তব্য করুন

ব্লগ