Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:১১ অপরাহ্ণ

শিক্ষায় ইন্টারনেট এর ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার।

শিক্ষা ইন্টারনেট 

এই দুই শব্দের একটি বাক্য আমরা অতি সহজেই বলতে পারি কিন্তু এর গভীরতা এবং মর্মার্থ অনেক গভীর। আমরা সবাই জানি শিক্ষাক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে বর্তমান সময়ে ই-লার্নিং বা ইলেকট্রনিক লার্নিং জানি এই পদ্ধতি প্রচলনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা  ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে রেডিও টেলিভিশন এবং নানারকম নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ করে থাকি। শিক্ষা ইন্টারনেট কেন দরকার :-পৃথিবী এখন বড় পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছে এই পরিবর্তনের মুখ্য ভূমিকা পালন করছে ইন্টারনেট এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে আমাদের অবকাঠামো ও আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভ করছে। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলেই আমাদের কম্পিউটার বা স্মার্ট ডিভাইস দরকার বর্তমান সময়ে হিটার ভাই মোবাইল টেলিফোন এর দিক থেকে উচ্চ শিখরে পৌঁছেছে মানুষের ব্যবহারকারীদের কয়েক ক্ষমতার মধ্যেই চলে এসেছে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে সহজেই বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। 

শিক্ষা ক্ষেত্রে কেন ইন্টারনেট প্রয়োজন :যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষা ক্ষেত্রেও আমাদের একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নত বিশ্বের সাথে চলতে হবে। সারা পৃথিবীতেই শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার এক যুগান্তকারী তার উন্মোচন করেছে। ৬ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা আজ অতি সহজেই তাদের পঠিত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ঘরে বসেই জানতে পারছে।শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট কম্পিউটার ল্যাপটপ ট্যাবলেট কিমি স্মার্টফোন সংযোগ দিয়ে পৃথিবীকে হাতির মুঠোয় নিয়ে আসছে। ইন্টারনেট সংযোগের ফলে অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক অক্ষমবস্থ শিক্ষার্থীরা তাদের লেখাপড়া চালিয়ে নিতে পারছে বর্তমান সময় ইন্টারনেটের সাশ্রয় ব্যবহারের ফলে শিক্ষা ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের করতে পারছে। বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট জগতে যুগান্তকারী মাধ্যম হল ফ্রিল্যান্সিং অনেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে এসব কিছু সম্ভব হচ্ছে ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে এজন্য শিক্ষা ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের বহুল ব্যবহার অপরিহার্য। 

ইন্টারনেট ও পঠিত বিষয় :একজন শিক্ষক একটা বাতির মত বাতিবন টিপটিপ করে আলো দেয় শিক্ষক জীবনে চুপ করে আলো দেয় তিনি যেন অন্ধকারের আলোতে হারিয়ে না যান শিক্ষক তার সারা জীবনের আলো হয়ে থাকেন পরবর্তী জীবনের শিক্ষার্থীরা সবকিছুই সেই আলোতে তার ক্যারিয়ার মাধ্যমে শিক্ষা অফিসে আলো জ্বালিয়ে রাখে শিক্ষার সাথে ইন্টারনেট শব্দটি জড়িয়ে আছে। ইন্টারনেট যে একেবারেই রাতে রাতে শিক্ষার্থীর জীবনের সকল কিছু পাল্টিয়ে দিবে তো নয় প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে এই ব্যবহার ছাত্র-ছাত্রীদের নতুন একটি জগত উন্মোচন করে দিবে তাদের পঠিত বিষয়গুলো সহজেই জানতে পারে সেই সাথে বর্তমান সময়ের বিভিন্ন সমস্যাবলী সমাধান করার জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখার নতুন জগৎ তৈরি করে দিয়েছি। আবার শিক্ষার্থী তার কোন পঠিত বই বছরের শুরুতে হাতে না শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যেমন এনসিটিবি থেকে অতি সহজেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে বইগুলো সংগ্রহ করতে পারে। 

ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ও আইসিটি :বর্তমান সময়ে আইসিটিবিহীন এক সেকেন্ডও কল্পনা করা সম্ভব নয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহারের কারণে কোন সংস্থার কর্মী নিয়োগ কবিতির ক্ষেত্রে আইসিটিকে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কর্মিতার ক্যারিয়ারের উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট সচেতন থাকেন এজন্য তার ক্যারিয়ার উন্নয়নের জন্য আইসিটি কৃষিকার্য যেমন অফিস সফটার ব্যবহার ইন্টারনে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ সবকিছুতেই তাকে পারদর্শী হতে হয় এটা ছাড়া ভবিষ্যৎ অসম্ভব। অপরদিকে বর্তমান সময়ে প্রোগ্রামিং নির্মাণ ইন্টার সিকিউরিটি ইত্যাদি কাজীর চাহিদা ও বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে সর্বোপরি বলা যায় সো বেবি তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির খাতের এক বড় ক্ষেত্র হিসেবে উন্মোচিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বলা যায় বাংলাদেশেও সিটি তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির খাত দিন দিন আমি পাচ্ছে বা পেয়েছে। ফলাফল শুরু বাংলাদেশেও গ্রামিং এর চাহিদা এবং অন্যান্য যে তথ্য প্রযুক্তির খাত রয়েছে যেমন স্মার্টফোন অ্যাপ টিভি নেটওয়ার্ক এয়ারকন্ডিশন লোহার দরকার তা বাঁধনের ক্ষেত্রে দক্ষ যোগ্যতা সম্পন্ন আইসিটি বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ এর বিভিন্ন জাতি কোম্পানি বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি দক্ষ কর্মী গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আগামীর ভবিষ্যৎ হবে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি আইসিটির বিষয় বাধ্যতামূলক করেছে। যার ফলে বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেকটাই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। হাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসার আহ্বান রইল।

মন্তব্য করুন

ব্লগ