নমরুদ আল্লাহকে মারতে সরাসরি আকাশে যায়নি, বরং সে আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য এক বিশাল বাহিনী নিয়ে ইবরাহিম (আ.)-এর সাথে বিতর্কে অবতীর্ণ হয় এবং ইবরাহিম (আ.)-এর একটি একক সত্তা হিসেবে আল্লাহকে অস্বীকার করে। পরে, আল্লাহ নমরুদের অহংকার ভাঙতে একটি মশা তার নাকে প্রবেশ করিয়ে দেন, যা থেকে নমরুদ যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু বরণ করে।
নমরুদ ও ইবরাহিম (আ.)-এর বিতর্ক
ক্ষমতার দম্ভ:
নমরুদ একজন অত্যাচারী ও অহংকারী বাদশাহ ছিল, যে নিজেকে একচ্ছত্র উপাস্য দাবি করত এবং মানুষের জীবন-মৃত্যুর নিয়ন্ত্রক মনে করত।
আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ:
যখন হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর একত্ববাদের দাওয়াত দেন, তখন নমরুদ তা অস্বীকার করে এবং আল্লাহকে তার সাথে লড়াই করার জন্য আহ্বান জানায়।
শক্তির প্রদর্শন:
ইবরাহিম (আ.)-এর এই একক সত্তা হিসেবে আল্লাহকে অস্বীকার করে, নমরুদ তার বিশাল বাহিনী নিয়ে ইবরাহিম (আ.)-কে তার সঙ্গে লড়াই করতে আহ্বান জানায়।
মশার মাধ্যমে আল্লাহর আজাব
অহংকার চূর্ণ করা:
নমরুদের অহংকার ও ঔদ্ধত্য দেখে আল্লাহ তার ধ্বংসের জন্য এক ঝাঁক মশা প্রেরণ করেন।
নমরুদের পতন:
নমরুদের নাকে একটি মশা প্রবেশ করে এবং এর ফলে সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে। এই মশার আক্রমণের ফলে নমরুদের বিশাল বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং অবশেষে নমরুদ এভাবে মৃত্যু বরণ করে।
শিক্ষা:
এই ঘটনাটি মানুষের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি শিক্ষা। এর মাধ্যমে আল্লাহ দেখিয়েছেন যে, মানুষের ক্ষমতা কতই না সীমিত এবং আল্লাহই একমাত্র সার্বভৌম শক্তি।
১
১ মন্তব্য