Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ০৬:২০ পূর্বাহ্ণ

মিশকাতুল মাসাবীহ প্রথম অনুচ্ছেদ

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮০৭-[২১] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ঐ দু’ ব্যক্তির প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশে হেসে থাকেন। যারা একজন অপরজনকে হত্যা করে, অথচ তারা জান্নাতী। তন্মধ্যে এক ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করে শহীদ হয়, আর হত্যাকারীকে (ঈমান আনার জন্য) আল্লাহ তা’আলা সুযোগ দান করেন, অতঃপর (সে ঈমান এনে) শাহাদাত লাভ করেন (অর্থাৎ- উভয়েই জান্নাতপ্রাপ্ত হয়)। (বুখারী, মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَضْحَكُ اللَّهُ تَعَالَى إِلَى رَجُلَيْنِ يَقْتُلُ أَحَدُهُمَا الْآخَرَ يَدْخُلَانِ الْجَنَّةَ: يُقَاتِلُ هَذَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُقْتَلُ ثُمَّ يَتُوبُ اللَّهُ على الْقَاتِل فيستشهد

وعن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: يضحك الله تعالى الى رجلين يقتل احدهما الاخر يدخلان الجنة: يقاتل هذا في سبيل الله فيقتل ثم يتوب الله على القاتل فيستشهد
[1] সহীহ : সহীহুল বুখারী ২৮২৬, সহীহ মুসলিম ১৮৯০, নাসায়ী ৩১৬৬, মুসনাদ আহমাদ ৯৯৭৬, সহীহ আল জামি‘ ৮১০০।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮০৮

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮০৮-[২২] সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে শাহাদাতের মনোষ্কামনা করে; আল্লাহ তা’আলা তাকে শাহীদের মর্যাদায় উন্নীত করেন, যদিও সে স্বীয় বিছানায় মৃত্যুবরণ করে। (মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَن سهل بن حنيف قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ سَأَلَ اللَّهَ الشَّهَادَةَ بِصِدْقٍ بَلَّغَهُ اللَّهُ مَنَازِلَ الشُّهَدَاءِ وَإِنْ مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ. رَوَاهُ مُسلم

وعن سهل بن حنيف قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من سال الله الشهادة بصدق بلغه الله منازل الشهداء وان مات على فراشه. رواه مسلم
[1] সহীহ : সহীহ মুসলিম ১৯০৯, আবূ দাঊদ ১৫২০, নাসায়ী ৩১৬২, তিরমিযী ১৬৫৩, ইবনু মাজাহ ২৭৯৭, দারিমী ২৪৫১, সহীহ আল জামি‘ ৬২৭৬, সহীহ আত্ তারগীব ১২৭৬।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮০৯

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮০৯-[২৩] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রুবাইয়্যা’ বিনুত বারা (রাঃ)-এর কন্যা হারিসাহ্ ইবনু সুরাকাহ্-এর মা। একদিন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর নবী! তার পুত্র হারিসাহ্ যে বাদ্রের যুদ্ধে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির তীর নিক্ষেপে নিহত হয়, সে ব্যাপারে জানতে চাইলেন যে, হারিসাহ্ জান্নাতী হবে কিনা? যদি সে জান্নাতে প্রবেশ করে, তবে আমি ধৈর্যধারণ করব, অন্যথায় তার জন্য আমার আত্মার কান্না রোধ করতে পারব না। এটা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, হে হারিসার মা! জান্নাতে অসংখ্য বাগান রয়েছে, আর তোমার ছেলে তো জান্নাতুল ফিরদাওসের উচ্চাসনে স্থান পেয়েছে। (বুখারী)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَن أنسٍ أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ الْبَرَاءِ وَهِيَ أَمُّ حَارِثَةَ بْنِ سُرَاقَةَ أَتَتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا تُحَدِّثُنِي عنْ حَارِثَةَ وَكَانَ قُتِلَ يَوْمَ بَدْرٍ أَصَابَهُ سَهْمٌ غَرْبٌ فَإِنْ كَانَ فِي الْجَنَّةِ صَبَرْتُ وَإِنْ كَانَ غَيْرُ ذَلِكَ اجْتَهَدْتُ عَلَيْهِ فِي الْبُكَاءِ فَقَالَ: «يَا أَمَّ حَارِثَةَ إِنَّهَا جِنَانٌ فِي الْجَنَّةِ وَإِنَّ ابْنَكِ أَصَابَ الْفِرْدَوْسَ الْأَعْلَى» . رَوَاهُ البخاريُّ

وعن انس ان الربيع بنت البراء وهي ام حارثة بن سراقة اتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت: يا رسول الله الا تحدثني عن حارثة وكان قتل يوم بدر اصابه سهم غرب فان كان في الجنة صبرت وان كان غير ذلك اجتهدت عليه في البكاء فقال: «يا ام حارثة انها جنان في الجنة وان ابنك اصاب الفردوس الاعلى» . رواه البخاري
[1] সহীহ : সহীহুল বুখারী ২৮০৯, সহীহ আত্ তারগীব ১৩৮৩।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১০

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১০-[২৪] উক্ত রাবী [আনাস (রাঃ)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণসহ রওয়ানা হয়ে মুশরিকদের পূর্বেই বদর প্রান্তরে পৌঁছে গেলেন। অতঃপর মুশরিকরাও সেখানে এসে গেল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাহাবীগণের উদ্দেশে) ঘোষণা করলেন, তোমরা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সমবিস্তৃত এমন এক জান্নাতের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও। এটা শুনে ’উমায়র ইবনুল হুমাম বলে উঠল, বাহ! বাহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি এরূপ বললে? সে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহর কসম! আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নয়; শুধুমাত্র জান্নাতে প্রবেশের আকাঙ্ক্ষায় এরূপ বলেছি যেন আমি তার অধিবাসী হই। তদুত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তুমি নিশ্চয় জান্নাতের অধিবাসী হবে। রাবী বলেন যে, এরপরে ঐ সাহাবী তার তীরের থলি হতে কয়েকটি খেজুর বের করে খেতে লাগলেন এবং পরক্ষনেই বলে উঠলেন, এ খেজুরগুলো খেয়ে শেষ করা পর্যন্ত বেঁচে থাকাও অনেক দীর্ঘ জীবন! এটা বলে সে সব খেজুর ছুঁড়ে দিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় যুদ্ধ করতে করতে শাহাদাত বরণ করল। (মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْهُ قَالَ: انْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ حَتَّى سَبَقُوا الْمُشْرِكِينَ إِلَى بَدْرٍ وَجَاءَ الْمُشْرِكُونَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قُومُوا إِلَى جَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ» . قَالَ عُمَيْرُ بْنُ الْحُمَامِ: بَخْ بَخْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا يَحْمِلُكَ عَلَى قَوْلِكَ: بَخْ بَخْ؟ قَالَ: لَا وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِلَّا رَجَاءَ أَنْ أَكُونَ مِنْ أَهْلِهَا قَالَ: «فَإِنَّكَ مِنْ أَهْلِهَا» قَالَ: فَأَخْرَجَ تَمَرَاتٍ مِنْ قَرْنِهِ فَجَعَلَ يَأْكُلُ مِنْهُنَّ ثُمَّ قَالَ: لَئِنْ أَنَا حَيِيتُ حَتَّى آكل تمراتي إِنَّهَا الْحَيَاة طَوِيلَةٌ قَالَ: فَرَمَى بِمَا كَانَ مَعَهُ مِنَ التَّمْرِ ثُمَّ قَاتَلَهُمْ حَتَّى قُتِلَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

وعنه قال: انطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم واصحابه حتى سبقوا المشركين الى بدر وجاء المشركون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قوموا الى جنة عرضها السماوات والارض» . قال عمير بن الحمام: بخ بخ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما يحملك على قولك: بخ بخ؟ قال: لا والله يا رسول الله الا رجاء ان اكون من اهلها قال: «فانك من اهلها» قال: فاخرج تمرات من قرنه فجعل ياكل منهن ثم قال: لىن انا حييت حتى اكل تمراتي انها الحياة طويلة قال: فرمى بما كان معه من التمر ثم قاتلهم حتى قتل. رواه مسلم
[1] সহীহ : সহীহ মুসলিম ১৯০১, মুসনাদ আহমাদ ১২৩৯৮, সহীহ আত্ তারগীব ১৩১২।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১১

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১১-[২৫] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যকার কাকে তোমরা শহীদ বলে মনে কর? সাহাবীগণ সমস্বরে বলে উঠল, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে নিহত হয়, সেই শহীদ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তাহলে তো আমার উম্মাতের মধ্যে শাহীদের সংখ্যা খুবই নগণ্য হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করে, সে শহীদ; যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে নিয়োজিত থেকে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করে সেও শহীদ এবং যে ব্যক্তি পেস্নগরোগে মৃত্যুবরণ করে, সেও শহীদ। আর যে ব্যক্তি পেটের পীড়ায় মৃত্যুবরণ করে, সেও শহীদ। (মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا تَعُدُّونَ الشَّهِيدَ فِيكُمْ؟» قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ قَالَ: إِنَّ شُهَدَاءَ أُمَّتِي إِذًا لِقَلِيلٌ: مَنْ قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِي الطَّاعُونِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِي الْبَطْنِ فهوَ شهيدٌ . رَوَاهُ مُسلم

وعن ابي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما تعدون الشهيد فيكم؟» قالوا: يا رسول الله من قتل في سبيل الله فهو شهيد قال: ان شهداء امتي اذا لقليل: من قتل في سبيل الله فهو شهيد ومن مات في سبيل الله فهو شهيد ومن مات في الطاعون فهو شهيد ومن مات في البطن فهو شهيد . رواه مسلم
[1] সহীহ : সহীহ মুসলিম ১৯১৫, মুসনাদ আহমাদ ৮০৯২, ইবনু মাজাহ ২৮০৪, সহীহ আত্ তারগীব ১৩৯৩।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১২

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১২-[২৬] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর পথে মুজাহিদগণ সংখ্যায় বেশি হোক বা কম হোক যদি জিহাদে জয়ী হয়ে গনীমাতের মালসহ নিরাপদে বাড়ী ফিরে আসে, তবে তারা জিহাদের সাওয়াবের দুই-তৃতীয়াংশ দুনিয়াতেই লাভ করল। আর যে কোনো ক্ষুদ্র দল বা বৃহৎ দল যদি তারা গনীমাত লাভে বঞ্চিত হয় এবং জান-মালের ক্ষতিসাধন হয় অথবা শহীদ হয় বা আহত হয়, তবে তারা পরিপূর্ণ সাওয়াবের অধিকারী হবে। (মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا مِنْ غَازِيَة أَو سَرِيَّة تغزو فتغتنم وَتَسْلَمُ إِلَّا كَانُوا قَدْ تَعَجَّلُوا ثُلُثَيْ أُجُورِهِمْ وَمَا مِنْ غَازِيَةٍ أَوْ سَرِيَّةٍ تَخْفُقُ وَتُصَابُ إِلَّا تمّ أُجُورهم» . رَوَاهُ مُسلم

وعن عبد الله بن عمرو قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من غازية او سرية تغزو فتغتنم وتسلم الا كانوا قد تعجلوا ثلثي اجورهم وما من غازية او سرية تخفق وتصاب الا تم اجورهم» . رواه مسلم
[1] সহীহ : সহীহ মুসলিম ১৯০৬।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১৩

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১৩-[২৭] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জিহাদে অংশগ্রহণ করেনি এবং জিহাদের নিয়্যাত না করে মৃত্যুবরণ করে, সে প্রকৃতপক্ষে মুনাফিক হয়েই মৃত্যুবরণ করল। (মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ مَاتَ وَلَمْ يَغْزُو وَلَمْ يُحَدِّثْ بِهِ نَفْسَهُ مَاتَ عَلَى شُعْبَةٍ نفاق» . رَوَاهُ مُسلم

وعن ابي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من مات ولم يغزو ولم يحدث به نفسه مات على شعبة نفاق» . رواه مسلم
[1] সহীহ : সহীহ মুসলিম ১৯১০, আবূ দাঊদ ২৫০২, নাসায়ী ৩০৯৭, মুসনাদ আহমাদ ৮৮৬৫, সহীহ আল জামি‘ ৬৫৪৮, সহীহ আত্ তারগীব ১৩৯০।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১৪

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১৪-[২৮] আবূ মূসা আল আশ্’আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, এমন কেউ যদি গনীমাতের ধন-মালের লাভের প্রত্যাশায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে, কেউ সুনাম সুখ্যাতি (তথা মুজাহিদ নাম) অর্জনের প্রত্যাশায় যুদ্ধ করে, আর কেউ আছে বীরত্ব প্রদর্শনের (তথা যোদ্ধা হওয়ার) অহমিকায় যুদ্ধ করে- এদের মধ্যে কোন্ ব্যক্তি সর্বোত্তম? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি শুধুমাত্র আল্লাহর বাণী-বিধান (ইসলাম) প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ করে, সে-ই শুধু আল্লাহর পথে জিহাদ করে। (বুখারী, মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَن أبي مُوسَى قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: الرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِلْمَغْنَمِ وَالرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِلذِّكْرِ وَالرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِيُرَى مَكَانُهُ فَمَنْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: «مَنْ قَاتَلَ لِتَكُونَ كَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا فَهُوَ فِي سَبِيلِ الله»

وعن ابي موسى قال: جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: الرجل يقاتل للمغنم والرجل يقاتل للذكر والرجل يقاتل ليرى مكانه فمن في سبيل الله؟ قال: «من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله»
[1] সহীহ : সহীহুল বুখারী ২৮১০, সহীহ মুসলিম ১৯০৪, আবূ দাঊদ ২৫১৭, নাসায়ী ৩১৩৬, তিরমিযী ১৬৪৬, ইবনু মাজাহ ২৭৮৩, মুসনাদ আহমাদ ১৯৫৯৬, সহীহ আল জামি‘ ৬৪১৭, সহীহ আত্ তারগীব ১৩২৮।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১৫

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১৫-[২৯] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবূক যুদ্ধ হতে ফিরে যখন মদীনার সন্নিকটবর্তী হলেন তখন বললেন, এমন কিছু সংখ্যক লোক মদীনায় রয়ে গেছে। তোমরা সফরে যে সকল ভূমি বা উপত্যকায় যেখানে যেখানে গমন করেছ, তারা সর্বাবস্থায় তোমাদের সঙ্গে ছিল।

অপর বর্ণনায় রয়েছে, তারা তোমাদের সাথে সাওয়াব লাভে শরীক ছিল। উপস্থিত সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! তারা মদীনায় অবস্থান করে আমাদের সাথে কিভাবে শরীক হয়েছে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, তারা মদীনাতেই অবস্থানরত; তাদের (শারীরিক ও আর্থিক) অসামর্থ্যই (অপারগতা) তোমাদের সাথে যেতে বিরত রেখেছে। (বুখারী, মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْ أَنَسٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجَعَ مِنْ غَزْوَةِ تَبُوكَ فَدَنَا مِنَ الْمَدِينَةِ فَقَالَ: «إِنَّ بِالْمَدِينَةِ أَقْوَامًا مَا سِرْتُمْ مَسِيرًا وَلَا قَطَعْتُمْ وَادِيًا إِلَّا كَانُوا مَعَكُمْ» . وَفِي رِوَايَةٍ: «إِلَّا شَرِكُوكُمْ فِي الْأَجْرِ» . قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَهُمْ بِالْمَدِينَةِ؟ قَالَ: «وهُم بالمدينةِ حَبسهم الْعذر» . رَوَاهُ البُخَارِيّ

وعن انس: ان رسول الله صلى الله عليه وسلم رجع من غزوة تبوك فدنا من المدينة فقال: «ان بالمدينة اقواما ما سرتم مسيرا ولا قطعتم واديا الا كانوا معكم» . وفي رواية: «الا شركوكم في الاجر» . قالوا: يا رسول الله وهم بالمدينة؟ قال: «وهم بالمدينة حبسهم العذر» . رواه البخاري
[1] সহীহ : সহীহুল বুখারী ৪৪২৩, ইবনু মাজাহ ২৭৬৪, মুসনাদ আহমাদ ১২০০৯।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১৬

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১৬-[৩০] আর ইমাম মুসলিম-এর হাদীসটি জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَرَوَاهُ مُسلم عَن جَابر

ورواه مسلم عن جابر
[1] সহীহ : সহীহ মুসলিম ১৯১১, ইবনু মাজাহ ২৭৬৫, মুসনাদ আহমাদ ১৪২০৮।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১৭

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১৭-[৩১] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিহাদে অংশগ্রহণের অনুমতি চাইল। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মাতা-পিতা কি জীবিত আছে? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যাও তাদের (খিদমাতের) মধ্যে জিহাদ কর। (বুখারী, মুসলিম)[1]

অন্য বর্ণনায় আছে, তুমি তোমার মাতা-পিতার নিকট ফিরে যাও এবং সর্বদা তাদের সাথে সদাচরণ কর।

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَأْذَنَهُ فِي الْجِهَادِ فَقَالَ: «أَحَي والدك؟» قَالَ: نَعَمْ قَالَ: «فَفِيهِمَا فَجَاهِدْ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ: «فَارْجِعْ إِلَى وَالِدَيْكَ فَأَحْسِنْ صُحْبَتَهُمَا»

وعن عبد الله بن عمرو قال: جاء رجل الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستاذنه في الجهاد فقال: «احي والدك؟» قال: نعم قال: «ففيهما فجاهد» . متفق عليه. وفي رواية: «فارجع الى والديك فاحسن صحبتهما»
[1] সহীহ : সহীহুল বুখারী ৩০০৪, সহীহ মুসলিম ২৫৪৯, আবূ দাঊদ ২৫২৯, নাসায়ী ৩১০৩, তিরমিযী ১৬৭১, মুসনাদ আহমাদ ৬৭৬৫, ইরওয়া ১১৯৯, সহীহ আত্ তারগীব ২৪৮০।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১৮

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৮১৮-[৩২] ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন বললেনঃ মক্কা বিজয়ের পরে আর হিজরত নেই (ফরয নয়), শুধু জিহাদ ও নিয়্যাত ব্যতীত। অতঃপর যখনই তোমাদেরকে জিহাদের জন্য আহবান করা হবে, তখনই তোমরা যুদ্ধ করার জন্য বের হয়ে যাবে। (বুখারী, মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْم الْفَتْح: ( «اهجرة بَعْدَ الْفَتْحِ وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فانفروا»

وعن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يوم الفتح: ( «اهجرة بعد الفتح ولكن جهاد ونية واذا استنفرتم فانفروا»
[1] সহীহ : সহীহুল বুখারী ২৭৮৩, সহীহ মুসলিম ১৩৫৩, আবূ দাঊদ ২৪৮০, নাসায়ী ৪১৭০, তিরমিযী ১৫৯০, মুসনাদ আহমাদ ১৯৯১, দারিমী ২৫৫৪, ইরওয়া ১১৮৭, সহীহ আল জামি‘ ৭৫৬৩।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮১৯

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮১৯-[৩৩] ’ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে সর্বদা একটি দল সত্যের উপর অটল-অবিচল থেকে শত্রুর মুকাবিলায় সংগ্রাম করতে থাকবে এবং তাদের বিরুদ্ধবাদীদের ওপর বিজয়ী হবে। এমনিভাবে উম্মাতের শেষ দল মাসীহ দাজ্জালের (সত্য-মিথ্যার আন্দোলনে) সাথেও লড়াই-সংগ্রাম করতে থাকবে। (আবূ দাঊদ)[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي يُقَاتِلُونَ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ عَلَى مَنْ نَاوَأَهُمْ حَتَّى يُقَاتِلَ آخِرُهُمُ الْمَسِيحَ الدَّجَّالَ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

عن عمران بن حصين قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تزال طاىفة من امتي يقاتلون على الحق ظاهرين على من ناواهم حتى يقاتل اخرهم المسيح الدجال» . رواه ابو داود
[1] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৪৮৪, মুসনাদ আহমাদ ১৯৮৫১, সহীহ আল জামি‘ ৭২৯৪।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮২০

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮২০-[৩৪] আবূ উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজে জিহাদে অংশগ্রহণ করল না, মুজাহিদদের যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবস্থাও করল না এবং কোনো মুজাহিদের অবর্তমানে তার পরিবার-পরিজনের তত্ত্বাবধান (দেখাশোনা) করল না, আল্লাহ তা’আলা তাকে কিয়ামতের পূর্বে (দুনিয়াতেই) কঠিন বিপদাপদে নিপতিত করবেন। (আবূ দাঊদ)[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ لَمْ يَغْزُ وَلَمْ يُجَهِّزْ غَازِيًا أَوْ يَخْلُفْ غَازِيًا فِي أَهْلِهِ بِخَيْرٍ أَصَابَهُ اللَّهُ بِقَارِعَةٍ قَبْلَ يَوْمِ الْقِيَامَةِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

وعن ابي امامة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من لم يغز ولم يجهز غازيا او يخلف غازيا في اهله بخير اصابه الله بقارعة قبل يوم القيامة» . رواه ابو داود
[1] হাসান : আবূ দাঊদ ২৫০৩, দারিমী ২৪৬২, রিয়াযুস্ সলিহীন ১৩৫৬।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮২১

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮২১-[৩৫] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মুশরিকদের সাথে তোমাদের জান, মাল ও জবান দ্বারা জিহাদ কর। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী ও দারিমী)[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَعَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «جَاهِدُوا الْمُشْرِكِينَ بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ وَأَلْسِنَتِكُمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ والدارمي

وعن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «جاهدوا المشركين باموالكم وانفسكم والسنتكم» . رواه ابو داود والنساىي والدارمي
[1] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৫০৪, নাসায়ী ৩০৯৬, মুসনাদ আহমাদ ১২২৪৬, দারিমী ২৪৭৫, সহীহ আল জামি‘ ৩০৯০।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮২২

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮২২-[৩৬] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা (পরিচিত-অপরিচিত সকলের প্রতি নিয়মিত) সালাম প্রতিষ্ঠা কর, (অনাহারকে) আহার করাও এবং শত্রুর মস্তক অবনত কর (আঘাত হানো), তাহলে তোমাদেরকে জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হবে। (তিরমিযী; তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব)[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْشُوا السَّلَامَ وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ وَاضْرِبُوا الْهَامَ تُوَرَّثُوا الْجِنَانَ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حديثٌ غَرِيب

وعن ابي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «افشوا السلام واطعموا الطعام واضربوا الهام تورثوا الجنان» . رواه الترمذي وقال: هذا حديث غريب
[1] য‘ঈফ : তিরমিযী ১৮৫৪, য‘ঈফাহ্ ১৩২৪, য‘ঈফ আল জামি‘ ৯৯৫। কারণ এর সনদে উসমান বিন আব্দুর রহমান আল জুমাহী একজন মাজহূল রাবী।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
 
 বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮২৩

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮২৩-[৩৬] ফাযালাহ্ ইবনু ’উবায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক লোকের মৃত্যুর সাথে সাথে তার ’আমলের সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু যে লোক আল্লাহর পথে (কোনো কাজে) নিয়োজিত থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তার ’আমল নিঃশেষ হয় না, কিয়ামত পর্যন্ত তার ’আমল বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সে কবরের কঠিন ’আযাব হতে নিরাপত্তা লাভ করবে। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ)[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَعَن فَضالَةَ بنِ عُبيدٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «كُلُّ مَيِّتٍ يُخْتَمُ عَلَى عَمَلِهِ إِلَّا الَّذِي مَاتَ مُرَابِطًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَإِنَّهُ يُنَمَّى لَهُ عَمَلُهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَيَأْمَنُ فتْنَة الْقَبْر» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَأَبُو دَاوُد

وعن فضالة بن عبيد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «كل ميت يختم على عمله الا الذي مات مرابطا في سبيل الله فانه ينمى له عمله الى يوم القيامة ويامن فتنة القبر» . رواه الترمذي وابو داود
[1] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৫০০, তিরমিযী ১৬২১, মুসনাদ আহমাদ ২৩৯৫১, সহীহ আল জামি‘ ৪৫৬২।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮২৪

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮২৪-[৩৭] আর দারিমী হাদীসটি ’উকবা ইবনু ’আমির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন।[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَرَوَاهُ الدَّارمِيّ عَن عقبَة بن عَامر

ورواه الدارمي عن عقبة بن عامر
[1] হাসান : মুসনাদ আহমাদ ১৭৩৫৯, দারিমী ২৪২৫, সহীহ আল জামি‘ ৪৫৬২।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
 
 বর্ণনাকারীঃ উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮২৫

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮২৫-[৩৮] মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে লোক অতি অল্প সময় আল্লাহর পথে জিহাদ করে শহীদ হয়েছে, তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হয়ে যায়। যে লোক (শত্রুর আঘাতে) আল্লাহর পথে হতাহত বা ক্ষত-বিক্ষতের দরুন কাতর হয়েছে- সে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, উক্ত ক্ষতস্থান (দুনিয়ার তুলনায়) সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে, রক্তের রং হবে যা’ফরানের এবং তা হতে মিশ্কের সুগন্ধি বিচ্ছুরিত হতে থাকবে। আর আল্লাহর পথে জিহাদরত থাকাবস্থায় যে ব্যক্তির শরীরে ফোঁড়া-ঠোসা পরিলক্ষেত হবে, কিয়ামতের দিন উক্ত ফোঁড়ার উপরে শহীদগণের সীলমোহর থাকবে। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী)[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَعَن معاذِ بن جبلٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ قَاتَلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَوَاقَ نَاقَةٍ فَقَدْ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ وَمَنْ جُرِحَ جُرْحًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ نُكِبَ نَكْبَةً فَإِنَّهَا تَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَأَغْزَرِ مَا كَانَتْ لَوْنُهَا الزَّعْفَرَانُ وَرِيحُهَا الْمِسْكُ وَمَنْ خَرَجَ بِهِ خُرَاجٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَإِنَّ عَلَيْهِ طَابَعُ الشُّهَدَاءِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ

وعن معاذ بن جبل انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من قاتل في سبيل الله فواق ناقة فقد وجبت له الجنة ومن جرح جرحا في سبيل الله او نكب نكبة فانها تجيء يوم القيامة كاغزر ما كانت لونها الزعفران وريحها المسك ومن خرج به خراج في سبيل الله فان عليه طابع الشهداء» . رواه الترمذي وابو داود والنساىي
[1] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৫৪১, নাসায়ী ৩১৪১, তিরমিযী ১৬৫৭, ইবনু মাজাহ ২৭৯২, মুসনাদ আহমাদ ২২১১৬, সহীহ আল জামি‘ ৬৪১৬, সহীহ আত্ তারগীব ১২৭৮।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ মু‘আয বিন জাবাল (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
 
 মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
 
 পর্ব-১৯: জিহাদ (كتاب الجهاد) 19. Jihad
 ৩৮২৬

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৮২৬-[৩৯] খুরয়ম ইবনু ফাতিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কিছু ব্যয় (দান) করবে, তার জন্য এর বিনিময়ে সাতশত গুণ সাওয়াব প্রদান করা হবে। (তিরমিযী, নাসায়ী)[1]

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَعَن خُرَيمِ بن فاتِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَنْفَقَ نَفَقَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كُتبَ لَهُ بسبعمائةِ ضعف» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ

وعن خريم بن فاتك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من انفق نفقة في سبيل الله كتب له بسبعماىة ضعف» . رواه الترمذي والنساىي
[1] সহীহ : নাসায়ী ৩১৮৬, তিরমিযী ১৬২৫, সহীহ আল জামি‘ ১৬১০, সহীহ আত্ তারগীব ১২৩৬।
মন্তব্য করুন