সহকারী শিক্ষক
০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বৈচিত্রময় প্রজাতি নিয়ে জানি
প্রজাপতির ডানায় যে এত রঙের বাহার দেখতে পাওয়া যায় তার দুটো কারণ আছে। এক, ডানায় থাকা কিছু রঞ্জক পদার্থের জন্য। দুই, প্রজাপতির ডানার বিশেষ গঠনের জন্য। এই দুইয়ের সমন্বয়ে আমরা বিভিন্ন রং দেখতে পাই।
আমরা কমলা, হলুদ বা কালো রং দেখতে পাই মূলত রঞ্জকের জন্য। আর নীল, সবুজ, পার্পল ইত্যাদি রং দেখতে পাই ডানার বিশেষ গঠনের জন্য। প্রজাপতির ডানা শুধুমাত্র একটি স্তর দিয়ে গঠিত নয়। একাধিক স্বচ্ছ স্তর নিয়ে গঠিত।
আলো যখন প্রজাপতির ডানায় পড়ে, বিভিন্ন স্তর থেকে প্রতিফলিত হয়ে আসা আলো যখন গঠনমূলক ব্যাতিচার ঘটায় তখন উচ্চ তীব্রতাযুক্ত রং দেখতে পাওয়া যায়। আলো কোন স্তর থেকে, কোন জায়গা থেকে প্রতিফলিত হচ্ছে, কিংবা কোন আঙ্গেলে আলোটা ডানায় পড়ছে তার উপর নির্ভর করে ডানার রং কী দেখবেন। তাই আমরা যদি এদিক ওদিক মাথা ঘোরাই তাহলে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রং দেখতে পাবো। এই ঘটনাকে বলে iridescence। মূলত structural colour এর জন্যই প্রজাপতির ডানা এতটা সুন্দর লাগে।
শুধুমাত্র রঞ্জক এর জন্য যে রং দেখতে পাই তা কিন্তু এতটা তীব্র নয়। আর যেদিক থেকেই দেখি না কেন, সব দিক থেকেই ওই রং সমান লাগবে।
কেবলমাত্র যে প্রজাপতির ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা লক্ষ্য করা যায় তা কিন্তু নয়। ময়ুরপুচ্ছের ক্ষেত্রেও যে আমরা বিভিন্ন রং দেখতে পাই তাও কিন্তু এই স্ট্রাকচারাল কালার।
১৪
২১ মন্তব্য