Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ অক্টোবর, ২০২৫ ০৩:০৯ অপরাহ্ণ

শ্বসনতন্ত্র এর চিত্র ওকাজ

যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় দেহকর্তৃক গৃহীত খাদ্য অক্সিজেন সহযোগে জারিত হয়ে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন বলে ৷ আর যে তন্ত্রের মাধ্যমে শ্বসনকার্য সম্পন্ন হয় তাকে শ্বসনতন্ত্র বলে ৷ শ্বসনের সাথে জড়িত অঙ্গসমূহ (নাসারন্ধ্র, গলবিল, ল্যারিংস, ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল, অ্যালভিওলাই, ফুসফুস) -কে শ্বাসঅঙ্গ বলে । মানব শ্বসনতন্ত্র: অক্সিজেন জীবনধারণের অপরিহার্য উপাদান। কোন প্রাণী অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারে না। মানব দেহে বাতাসের সাথে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং রক্তের মাধ্যমে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়। খাদ্যের সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়া ঘটে ফলে তাপ এবং শক্তি উৎপন্ন হয়, এইটা দেহকে উষ্ণ রাখে এবং প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। অক্সিজেন এবং খাদ্য উৎপাদনের মধ্যে বিক্রিয়ার ফলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। রক্ত উক্ত উপাদান গুলোকে ফুসফুসে নিয়ে যায়। সেখানে অক্সিজেন শোষিত হয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ছেড়ে দেওয়া হয় । যে প্রক্রিয়া দিয়ে অক্সিজেন গ্রহণ এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিষ্কাশন করা হয় তাকে শ্বাসকার্য বলে। যে জৈবিক প্রক্রিয়া প্রাণীদেহের খাদ্য বস্তুকে বায়ুর অক্সিজেনের সাথে জারিত করে মজুদ শক্তিকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিষ্কাশন করে তাকে শ্বসন বলে। দেহের ভিতর গ্যাসীয় আদান-প্রদান একবার ফুসফুসে এবং পরে দেহের প্রতিটি কোষে পর্যায়ক্রমে সম্পাদিত হয়। 

মন্তব্য করুন