১) কক্ষপথ:
- ইলেকট্রন নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে যাদের নির্দিষ্ট শক্তি স্তর রয়েছে।
- এই কক্ষপথগুলো নিউক্লিয়াস থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থিত।
- ইলেকট্রনগুলো কক্ষপথ পরিবর্তন করতে পারে, তবে এটি নির্দিষ্ট শক্তি শোষণ বা নির্গমন করে।
২) শক্তি স্তর:
- প্রতিটি শক্তি স্তরে নির্দিষ্ট সংখ্যক ইলেকট্রন থাকতে পারে।
- নিকটতম শক্তি স্তর থেকে দূরে যাওয়ার সাথে সাথে শক্তি স্তরের শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৩) ইলেকট্রন বিন্যাস:
- ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে শক্তি স্তরে বিন্যস্ত থাকে।
- aufbau নীতি অনুসারে, ইলেকট্রনগুলো কম শক্তি স্তর থেকে উচ্চ শক্তি স্তরে পূর্ণ করে।
- Pauli বর্জন নীতি অনুসারে, একটি শক্তি স্তরের একটি অরবিটালে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রন থাকতে পারে, যার স্পিন বিপরীত।
৪) স্থিতিশীলতা:
- সবচেয়ে বাইরের শক্তি স্তর (valence shell) পূর্ণ বা অর্ধ পূর্ণ ইলেকট্রন সহ পরমাণু সবচেয়ে বেশি স্থিতিশীল।
- অষ্টক নিয়ম অনুসারে, বেশিরভাগ পরমাণু তাদের সবচেয়ে বাইরের শক্তি স্তরকে অষ্টক পূর্ণ করার চেষ্টা করে।
৫) উৎসর্জন ও শোষণ:
- ইলেকট্রন একটি শক্তি স্তর থেকে অন্য শক্তি স্তরে লাফ দেয় যখন এটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ বা নির্গমন করে।
- শোষিত বা নির্গত শক্তির পরিমাণ ইলেকট্রনগুলোর মধ্যে শক্তির পার্থক্যের সমান।
পর্যায় সারণিতে অবস্থান নির্ণয়:
- পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা (Z) নির্ধারণ করে পর্যায় সারণিতে তার অবস্থান।
- পারমাণবিক সংখ্যা নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা নির্দেশ করে।
- ইলেকট্রন বিন্যাস পরমাণুর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
বোরের পরমাণু মডেল রসায়ন, পদার্থবিদ্যা এবং অন্যান্য বিজ্ঞান ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উল্লেখ্য:
- বোরের পরমাণু মডেল কিছু সীমাবদ্ধতা ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, এটি হাইড্রোজেনের মতো হালকা পরমাণুর জন্য ভালো কাজ করে, তবে ভারী পরমাণুর জন্য কম কার্যকর।
- আধুনিক পরমাণু মডেলগুলো বোরের মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এবং আরও জটিল পরমাণবিক ঘটনা ব্যাখ্যা করতে পারে।
১
১ মন্তব্য