মাতৃত্বকালীন ছুটি একজন কর্মজীবী নারীর অন্যতম মৌলিক অধিকার। বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নারী কর্মকর্তা/কর্মচারিদের জন্য এই ছুটির বিভিন্ন নিয়ম ও নীতিমালা রয়েছে।
- মহিলা সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীকে পূর্ণ বেতনে ছুটি গ্রহণের তারিখ হতে অথবা সন্তানপ্রসবের জন্য যে ছুটি পেয়ে থাকেন, থাকে মাতৃত্বকালীন ছুটি বলে ।
- মাতৃত্বকালীন ছুটি গ্রহণের তারিখ গর্ভবর্তী হওয়ার পর যে তারিখ হতে ছুটিতে যাওয়ার আবেদন এর তারিখ হতে ৬ (ছয়) মাসের ছুটি প্রাপ্য হবেন।
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য:
- মাতৃত্বকালীন ছুটি আরম্ভের সর্বশেষ তারিখ হবে সন্তান প্রসবের উদ্দেশ্যে আতুর ঘরে প্রবেশের তারিখ।
- সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পূর্বের যে কোন তারিখ হতে এই প্রকার ছুটির আবেদন করা যাবে।
- অর্থাৎ ছুটি আরম্ভের সর্বশেষ তারিখ হবে আতুর ঘরে প্রবেশের তারিখ।
- উল্লেখ্য যে, গর্ভবর্তী হওয়ার স্বপক্ষে ডাক্তারী সার্টিফিকেটসহ আবেদন করা হলে এবং আবেদনকৃত প্রসূতি ছুটি ২ (দুই) বারের বেশি না হলে আবেদন না মঞ্জুর করার কিংবা আবেদনকৃত ৬ (ছয়) মাস অপেক্ষা কম সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করার কিংবা ছুটি আরম্ভের তারিখ পরিবর্তন করার ক্ষমতা ছুটি মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের নাই। বি এস আর-১৯৭(১)
- আতুর ঘরে প্রবেশের তারিখ হতে (যা পূর্বে ঘটে) ৬ মাস প্রসূতি ছুটি মঞ্জুর করা যায়।
বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য:
- বেশিরভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ৪ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রদান করে।
- কিছু প্রতিষ্ঠান তিন মাসের ছুটি দিলেও ২০২৪ সালের নতুন প্রজ্ঞাপনে ছুটির মেয়াদ ৬ মাস করার সুপারিশ করা হয়েছে।
- বেতন সুবিধা প্রতিষ্ঠানের নীতির ওপর নির্ভর করে।মাতৃত্বকালীন ছুটি একজন কর্মজীবী মায়ের অধিকার। ২০২৫ সালের নতুন বিধিমালা অনুসারে, সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারিদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে নীতিমালা হালনাগাদ করা হচ্ছে। কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির বিষয়ে সচেতন হওয়া এবং যথাযথভাবে সময়মত আবেদন করতে হবে।
৫
৫ মন্তব্য