Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ

শিক্ষা দিবস। এটি শিক্ষার জন্য উৎসর্গ।

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস একটি বাৎসরিক আন্তর্জাতিক দিবস যা প্রতি বছর ২৪ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি শিক্ষার জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর ২০১৮, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শিক্ষায় বিশ্বব্যাপী শান্তিটেকসই উন্নয়নের ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে ২৪ জানুয়ারিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। ২৪ জানুয়ারি দিনটিকে ৩ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি প্রস্তাব গ্রহণ ও ঘোষণা করা হয় । এরপর ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘের বার্তা বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় একজন শিক্ষিত ব্যক্তির উন্নতিতে প্রতিশ্রুতিশীল ফলাফল দেখিয়েছে যা একটি সংস্কৃতিবান সমাজ গঠন করে এবং সমাজে বিভিন্ন সুযোগের সৃষ্টি করে। আইয়ুব খান ক্ষমতা দখলের মাত্র ২ মাস পর ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন। শরীফ কমিশন নামে খ্যাত এসএম শরীফের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিশন ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট তাদের প্রতিবেদন পেশ করে। এতে শিক্ষা বিষয়ে যেসব প্রস্তাবনা ছিল তা প্রকারান্তরে শিক্ষা সংকোচনের পক্ষে গিয়েছিল।প্রস্তাবিত প্রতিবেদনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্র বেতন বর্ধিত করার প্রস্তাব ছিল। ২৭ অধ্যায়ে বিভক্ত শরীফ কমিশনের ওই প্রতিবেদনে প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত সাধারণ, পেশামূলক শিক্ষা, শিক্ষক প্রসঙ্গ, শিক্ষার মাধ্যম, পাঠ্যপুস্তক, হরফ সমস্যা, প্রশাসন, অর্থবরাদ্দ, শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিষয়ে বিস্তারিত সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। আইয়ুব সরকার এই রিপোর্টের সুপারিশ গ্রহণ এবং তা ১৯৬২ সাল থেকে বাস্তবায়ন করতে শুরু করে। শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংকোচন নীতি কাঠামোতে শিক্ষাকে তিন স্তরে ভাগ করা হয়- প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চতর। ৫ বছরে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও ৩ বছরে উচ্চতর ডিগ্রি কোর্স এবং ২ বছরের স্নাতকোত্তর কোর্সের ব্যবস্থা থাকবে বলে প্রস্তাব করা হয়। উচ্চশিক্ষা ধনিকশ্রেণীর জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এজন্য পাস নম্বর ধরা হয় শতকরা ৫০, দ্বিতীয় বিভাগ শতকরা ৬০ এবং প্রথম বিভাগ শতকরা ৭০ নম্বর। এই কমিশন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বায়ত্তশাসনের পরিবর্তে পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা, ছাত্র-শিক্ষকদের কার্যকলাপের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখার প্রস্তাব করে। শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম করাতে ১৫ ঘণ্টা কাজের বিধান রাখা হয়েছিল। রিপোর্টের শেষ পর্যায়ে বর্ণমালা সংস্কারেরও প্রস্তাব ছিল।


মন্তব্য করুন