ইসলামের দৃষ্টিতে সেনাবাহিনীর বিচার প্রসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো একক বিচারিক ব্যবস্থা নেই, তবে এটি নির্ভর করে অপরাধের ধরনের উপর। সাধারণ অপরাধের ক্ষেত্রে প্রচলিত সামরিক আইন বা কোর্ট মার্শালের অধীনে বিচার হতে পারে
। তবে, যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মতো বিশেষ আদালত বিচার করতে পারে, যেখানে দেশীয় বেসামরিক বা সামরিক আদালতের এখতিয়ার থাকে না।
বিচারের ক্ষেত্র
সাধারণ অপরাধ: যদি কোনো সৈনিক সাধারণ কোনো অপরাধে জড়িত হয়, যেমন মারামারি বা অন্য কোনো ফৌজদারি অপরাধ, তবে সেটি প্রচলিত সামরিক আইন অনুযায়ী কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে বিচার হতে পারে।
গুরুতর অপরাধ: মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ, বা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার কেবল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (যেমন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) হতে পারে। এই ধরনের অপরাধে বিচার কোনো অভ্যন্তরীণ সামরিক বা বেসামরিক আদালতে সম্ভব নয়।
প্রেক্ষাপট
বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক দেখা গেছে যে বেসামরিক কর্মকর্তাদের বিচার বেসামরিক আদালতে হওয়া উচিত কিনা। তবে, এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বা আন্তর্জাতিক আইনের হস্তক্ষেপের কারণে বিচার ব্যবস্থা ভিন্ন হতে পারে।
বর্তমানে মানবাধিকার লঙ্ঘন বা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার বাইরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পরিচালিত হয়।
১৪
২৪ মন্তব্য