Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:২৭ অপরাহ্ণ

কোনো মৌলের রাসায়নিক বন্ধন শতভাগ আয়নিক হয় না কেন?

ইলেকট্রন ত্যাগ করার পর ধাতু যে ক্যাটায়ন গঠন করে সেটি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস লাভ করে।কিন্তু একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করার কারনে সেটি ধনাত্বক আয়নে পরিনত হয়।ধনাত্বক আয়ন এর ঋনাত্বক ইলেক্ট্রনের প্রতি আকর্ষণ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাই ক্যাটায়ন ইলেকট্রন ত্যাগের পরও সেই ইলেকট্রনের প্রতি তার আকর্ষণ থাকে।যার ফলে ইলেকট্রনটি কিছুটা এনায়ন থেকে ক্যাটায়নের দিকে সরে আসে। এটাকেই পোলারায়ন বলে।

পোলারায়ন হলো ক্যাটায়ন কতৃক এনায়নের ইলেক্ট্রন মেঘের বিকৃতি ঘটানো।

যেসকল যৌগে আয়নিক চরিত্রের তুলনায় সমযোজী চরিত্র বেশি তাদেরকে সমযোজী যৌগ হিসেবে চিনি আমরা।আর যদি আয়নিক চরিত্র বেশি হয় সেটা আয়নিক বলি।

১০০ ভাগ আয়নিক বা ১০০ ভাগ সমযোজী যৌগ বলে কোনো যৌগ নেই।

পোলারায়ন হচ্ছে আয়নিক যৌগে সমযোজী বৈশিষ্ট্য। পোলারায়ন যত বেশি হবে আয়নিক যৌগটা ততটা সমযোজী বৈশিষ্ট্য প্রাপ্ত হবে।

ফাজানের নীতি অনুযায়ী পোলারায়ন নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর নির্ভর করে

১.ক্যাটায়নের চার্জ যত বেশি হবে পোলারায়ন তত বাড়বে

২।ক্যাটায়নের আকার যত ছোট হবে পোলারায়ন তত বেশি হবে।

৩।আনায়ন এর আকার যত বড় হবে পোলারায়ন তত বেশি হবে

Al3+ এর আকার যথেষ্ট ছোট হওয়ায় AlCl3 এ পোলারায়ন অনেক বেশি হয়।তাই এটি আয়নিক হলেও এর মধ্যে যথেষ্ট সমযোজী বৈশিষ্ট্য আছে।

Na+ এর আকার বড় হওয়ায় NaCl যৌগে পোলারায়ন কম হয়।তাই এর আয়নিক বৈশিষ্ট্য বেশি।

মন্তব্য করুন