Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৮:০৬ অপরাহ্ণ

শিক্ষার্থী কে অতিরিক্ত সময় দেয়ার গুরুত্ব।

শিশু বা শিক্ষার্থীদের  বাড়তি সময় দেয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ  কারণ গুলো সচারাচর  সবাই  জানি। এর বৈজ্ঞানিক  ব্যাখ্যা শিক্ষকের ৃ মনকে আকৃষ্ট  করতেও পারে। তাই শেয়ার করছি।


বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
শিক্ষার্থীদের শেখার গতি, মনোযোগ ক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক বিকাশ একেকজনের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়। মস্তিষ্কবিজ্ঞানের (Neuroscience) দৃষ্টিতে দেখা যায়, মানব মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা (information processing speed) একেকজনের ক্ষেত্রে আলাদা। কারও নিউরাল সংযোগ দ্রুত কাজ করে, আবার কারও ক্ষেত্রে তা ধীরে হয়।
একারণেই ধীরগতির শিক্ষার্থীরা পড়া বুঝতে, বিশ্লেষণ করতে এবং সঠিকভাবে প্রকাশ করতে অধিক সময় প্রয়োজন হয়।
মনোবিজ্ঞানের (Educational Psychology) গবেষণায় বলা হয়,
পিয়াজে (Jean Piaget) এর জ্ঞান-বিকাশ তত্ত্ব অনুযায়ী, শিশুদের চিন্তা ও বোধগম্যতার স্তর বয়স ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে বিকশিত হয়। তাই একই সময়ে সব শিক্ষার্থী সমানভাবে কাজ করতে পারে না।
ভিগোৎস্কি (Lev Vygotsky) বলেন, “Zone of Proximal Development” বা সহায়তার মাধ্যমে শেখার ক্ষেত্র তৈরি হয়। বাড়তি সময় দেওয়া শিক্ষার্থীদের এই সহায়তার সুযোগ বাড়ায়।
সুতরাং, শিক্ষার্থীদের বাড়তি সময় দেওয়া কেবল সহানুভূতি নয়, বরং এটি মস্তিষ্কের কাজের গতি ও শিক্ষণ প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক পার্থক্যকে সম্মান করার একটি শিক্ষাবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।

মন্তব্য করুন