৬৩ বছরে শিক্ষা আন্দোলনের মূল অর্জন হলো সর্বজনীন ও বৈষম্যহীন শিক্ষার দাবি প্রতিষ্ঠা। তবে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে জেন্ডার সমতা অর্জন করা গেলেও, শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণ এবং বৈষম্যহীন শিক্ষানীতি থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে শিক্ষা দিবসের মূল চেতনা পূরণ হয়নি।
আর্জিত বিষয়সমূহ:
- সর্বজনীন শিক্ষা: আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সকলের জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা।
- জেন্ডার সমতা: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে জেন্ডার সমতা অর্জিত হয়েছে।
- বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা: শিক্ষাকে বিজ্ঞানভিত্তিক করার দাবি পূরণ হয়েছে।
যেসব ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি:
- বাণিজ্যিকীকরণ: শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণ ও পণ্যে পরিণত করা হয়েছে, যা 'টাকা যার শিক্ষা তার' ধারণার জন্ম দিয়েছে।
- বৈষম্য: কিছু ক্ষেত্রে বৈষম্য দেখা যায়, যা 'শরিফ কমিশন' কর্তৃক উপস্থাপিত শিক্ষানীতির মূল বিষয় ছিল, যেমন ইংরেজি ও উর্দু বাধ্যতামূলক করা।
- বেসরকারীকরণ: শিক্ষাকে বেসরকারীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়েছে, যার ফলে শিক্ষা একটি বিশেষ সুবিধাভোগী শ্রেণির হাতে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
১৪
২৪ মন্তব্য