"রেজিলিয়েন্স
ইনিশিয়েটিভ" মূল্যায়ন বলতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্থিতিস্থাপকতা বা
প্রতিকূলতা মোকাবেলার ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য গৃহীত উদ্যোগগুলোর কার্যকারিতা
বিশ্লেষণ করা বোঝায়। এটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থানীয় সম্প্রদায়কে
ক্ষমতায়ন করতে ডিজিটাল টুলস ব্যবহার করে ঘৃণা, সহিংসতা ও সংঘাত মোকাবেলার
জন্য বিভিন্ন মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এছাড়াও, এটি
জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় "স্মার্ট ক্লাইমেট
ইকোনমি" এবং "ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্স" সম্পর্কিত উদ্যোগগুলোর মূল্যায়ন
করে।
রেজিলিয়েন্স ইনিশিয়েটিভ মূল্যায়নের প্রধান ক্ষেত্রসমূহ
- ডিজিটাল টুলস ও সম্প্রদায়:
এই মূল্যায়নটি দেখায় কিভাবে ডিজিটাল টুলস ব্যবহার করে স্থানীয়
সম্প্রদায়গুলো অনলাইনে ঘৃণা, সহিংসতা এবং সংঘাত মোকাবেলা করতে সক্ষম
হচ্ছে।
- জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ:
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু
স্থিতিস্থাপকতা এবং স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত বিভিন্ন
উদ্যোগের মূল্যায়ন করা হয়।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক উদ্যোগ:
"লাইফ" (Life) বা জীবনধারণ, স্থিতিশীল উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) এবং
নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর মূল্যায়ন করা হয়, বিশেষ করে
গ্রামীণ ও আধা-শহুরে জনগোষ্ঠীর উপর এর প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়।
- প্রকল্পভিত্তিক মূল্যায়ন:
নির্দিষ্ট প্রকল্প যেমন, "ব্লু রেজিলিয়েন্স ইনিশিয়েটিভ" এর অধীনে বনভূমি
ম্যাপিং টুলের মতো প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলোর মূল্যায়ন করা হয়।
- পরিবীক্ষণ ও প্রতিবেদন:
প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক প্রতিবেদন
তৈরি করা হয়, যেমনটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC) এর মতো সংস্থাগুলো
করে থাকে।
৬৪
১০০ মন্তব্য