সহকারী শিক্ষক
০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:০২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
শিখনফল কী? শিখনফল লেখার ক্ষেত্রে বিবেচ্য দিক সমূহঃ
শিখনফল কীঃ সুনির্দিষ্ট কোন উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কোন বিষয়বস্তু উপস্থাপন করার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও আচরণের যে স্থায়ী এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আসে তাকে শিখনফল বলে। শিখনফল হবে পূর্ব নির্ধারিত।
শিখনফল লেখার ক্ষেত্রে বিবেচ্য দিক সমূহঃ
১। পাঠ্যপুস্তক নির্ধারিত পাঠ অনুযায়ী শিখনফল লিখতে হবে। অর্থাৎ পাঠ সংশ্লিষ্ট নয় এমন কিছু শিখনফল
লিখা যাবে না।
২। একটি শিখনফলে একাধীক পারদর্শিতার কথা লেখা যাবে না। যেমন- শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে ভাইরাস
আক্রমনের কারণ সমূহ বর্ণনা করতে এবং প্রতিকার উল্লেখ করতে পারবে । এ ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক
শিখনফল লিখতে হবে।
৩। একটি পাঠে একাধীক শিখনফল থাকলে সহজ থেকে কঠিন ক্রমে লিখতে হবে। যেমন-স্মরণ করা, বুঝতে
পারা, প্রয়োগ করা ইত্যাদি ক্রমে লিখতে হবে।
৪। শিখনফল লেখার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ক্রিয়া (Action Verb) ব্যবহার করতে হবে। যেমন- বর্ণনা করতে পারবে,
ব্যাখ্যা করতে পারবে, পার্থক্য করতে পারবে, বিশ্লেষণ করতে পারবে, মূল্যায়ন করতে পারবে ইত্যাদি।
৫। শিখনফল লেখার ক্ষেত্রে পরোক্ষ ক্রিয়া ব্যবহার করা যাবে না। যেমন- জানতে পারবে, শিখতে পারবে,
বুঝতে পারবে ইত্যাদি।
৬। এছাড়াও শিখনফল লেখার সময় SMART আইডিয়াকে কাজে লাগানো যেতে পারে।
S = Specific (সুনিদির্ষ্ট)
M = Measurable (পরিমাপযোগ্য)
A = Achievable (অর্জনযোগ্য)
R = Realistic (বাস্তব সম্মত)
T = Time-Bounded (নির্ধারিত সময়ের মধ্যে)
৩
৩ মন্তব্য