সহকারী শিক্ষক
০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:৩২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পপি গাছের চাষ হয় মায়ানমারে। অন্য দেশগুলোর মধ্যে আছে আফগানিস্তান। তালেবান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশটিতে চাষ কমেছে, বেড়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে। চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ৩২ হাজার ১৬০ কেজি ‘পাখির খাদ্য’ আনা হয়েছে, এর মধ্যে ২৪ হাজার ৯৬০ কেজিই পপি বীজ।
পপি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম পাপাভের সোমনিফেরাম। এর ফুল সাদা ও গোলাপি রঙের। তাজা অবস্থায় এই ফুলের রস থেকে তৈরি হয় আফিম ও তেল। নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যবহারে যা ব্যাথানাশকেও কাজে লাগে। ফুলের শুকনো দানাকে বলা হয় পপি বীজ। আরও শুকানোর পর এই বীজে তরলের উপস্থিতি যখন একেবারেই কমে যায় তখন সেটি পোস্তদানা হিসেবে ব্যবহার হয়।
৫৩
৯১ মন্তব্য