নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯। এই নম্বরটিতে ফোন করে ২৪/৭ বিনামূল্যে সহায়তা ও সেবা পাওয়া যায়। এছাড়াও, আইনি সহায়তা, নিরাপদ আশ্রয়, প্রশিক্ষণ, এবং পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন ২০১০-এর মতো আইনগুলোও এই প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সহায়তার জন্য জরুরি নম্বর ও সেবা
জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯:
নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এই হেল্পলাইন নম্বরে যেকোনো মোবাইল বা টেলিফোন থেকে বিনামূল্যে এবং ২৪ ঘন্টা কল করা যায়।
পুলিশ কলসেন্টার:
'৩৩৩' নম্বরে ফোন করে সেবা অপশনে গিয়ে '৩' চাপলে পুলিশের কলসেন্টারে ফরোয়ার্ড হয়ে অভিযোগ জানানো যায়।
পুলিশের জরুরি হটলাইন:
০১৩২০০০২০০১, ০১৩২০০০২০০২, এবং ০১৩২০০০২২২২ নম্বরে দিনরাত ২৪ ঘন্টা কল করা যায়।
আইনি ও সামাজিক সহায়তা
আইনি সহায়তা:
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের মাধ্যমে দুস্থ ও অসহায় নারীদের বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়।
নিরাপদ আশ্রয়:
নির্যাতিত নারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান:
বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করা হয়।
মানসিক ও সামাজিক সহায়তা:
নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সেবা ও সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম
আইন ও বিধিমালা:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালাগুলো নির্যাতন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ:
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ:
সাইবার অপরাধের শিকার নারীদের জন্য পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হয়।
৩
৩ মন্তব্য