Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০৬:৫১ পূর্বাহ্ণ

অবিরাম প্রবাহমান পানির ধারে সদ্য প্রবাহমান পানির ধারে

৫৬ : ৩১

 

وَّ مَآءٍ مَّسۡكُوۡبٍ ﴿ۙ۳۱﴾ 

و مآء مسكوب ﴿۳۱﴾
আর সদা প্রবাহিত পানির পাশে,

-আল-বায়ান

অবিরাম প্রবহমান পানির ধারে,

-তাইসিরুল

সদ্য প্রবাহমান পানি,

-মুজিবুর রহমান

And water poured out

-Sahih International

৩১. আর সদা প্রবাহমান পানি,

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩১) সদা প্রবহমান পানি।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩২

 

وَّ فَاكِهَۃٍ كَثِیۡرَۃٍ ﴿ۙ۳۲﴾ 

و فاكهۃ كثیرۃ ﴿۳۲﴾
আর প্রচুর ফলমূলে,

-আল-বায়ান

আর পর্যাপ্ত ফলমূল পরিবেষ্টিত হয়ে,

-তাইসিরুল

ও প্রচুর ফলমূল –

-মুজিবুর রহমান

And fruit, abundant [and varied],

-Sahih International

৩২. ও প্রচুর ফলমূল,

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩২) এবং প্রচুর ফলমূল;

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩৩

 

لَّا مَقۡطُوۡعَۃٍ وَّ لَا مَمۡنُوۡعَۃٍ ﴿ۙ۳۳﴾ 

لا مقطوعۃ و لا ممنوعۃ ﴿۳۳﴾
যা শেষ হবে না এবং নিষিদ্ধও হবে না।

-আল-বায়ান

যা কখনও শেষ হবে না, কক্ষনো নিষিদ্ধও হবে না।

-তাইসিরুল

যা শেষ হবেনা এবং যা নিষিদ্ধও হবেনা,

-মুজিবুর রহমান

Neither limited [to season] nor forbidden,

-Sahih International

৩৩. যা শেষ হবে না ও যা নিষিদ্ধও হবে না।(১)

(১) দুনিয়ার সাধারণ ফলের অবস্থা এই যে, মওসুম শেষ হয়ে গেলে ফলও শেষ হয়ে যায়। কোন ফল গ্ৰীষ্মকালে হয় এবং মওসুম শেষ হয়ে গেলে নিঃশেষ হয়ে যায়। আবার কোন ফল শীতকালে হয় এবং শীতকাল শেষ হয়ে গেলে ফলের নাম-নিশানাও অবশিষ্ট থাকে না। কিন্তু জান্নাতের প্রত্যেক ফল চিরস্থায়ী হবে- কোন মওসুমের মধ্যে সীমিত থাকবে না। এমনিভাবে দুনিয়াতে বাগানের পাহারাদাররা ফল ছিড়তে নিষেধ করে কিন্তু জান্নাতের ফল ছিড়তে কোন বাধা থাকবে না। [ইবন কাসীর; বাগভী, কুরতুবী]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৩) যা শেষ হবে না ও নিষিদ্ধও হবে না। [1]

[1] অর্থাৎ, এই ফলগুলো এমন মৌসমী ফল হবে না যে, মৌসম শেষ হয়ে গেলেই এই ফলগুলো আগামী মৌসম পর্যন্ত বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ফলগুলো এ ধরনের ফুল-মুকুলের ঋতুর অধীনস্থ হবে না। বরং তা সদা-সর্বদা পাওয়া যাবে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩৪

 

وَّ فُرُشٍ مَّرۡفُوۡعَۃٍ ﴿ؕ۳۴﴾ 

و فرش مرفوعۃ ﴿۳۴﴾
(তারা থাকবে) সুউচ্চ শয্যাসমূহে;

-আল-বায়ান

আর উঁচু উঁচু বিছানায়।

-তাইসিরুল

আর সমুচ্চ শয্যাসমূহ।

-মুজিবুর রহমান

And [upon] beds raised high.

-Sahih International

৩৪. আর সমুচ্চ শয্যাসমূহ(১);

(১) فرش শব্দটি فراش এর বহুবচন। অর্থ বিছানা। উচ্চস্থানে বিছানো থাকবে বিধায় জান্নাতের শয্যা সমুন্নত হবে। দ্বিতীয়ত, এই বিছানা মাটিতে নয়, পালঙ্কের উপর থাকবে। তৃতীয়ত, স্বয়ং বিছানাও খুব পুরু হবে। কারও কারও মতে এখানে বিছানা বলে শয্যাশায়িনী নারী বোঝানো হয়েছে। কেননা, নারীকেও বিছানা বলে ব্যক্ত করা হয়। এই অর্থ অনুযায়ী مرفوعة এর অর্থ হবে উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন ও সম্রান্ত। [ইবন কাসীর; কুরতুবী; বাগভী]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৪) আর সমুচ্চ শয্যাসমূহ। [1]

[1] কেউ কেউ فُرُشٍ থেকে অর্থ নিয়েছেন স্ত্রীগণ। আর مَرفوعة এর নিয়েছেন উচ্চ মর্যাদাসম্পন্না। যেহেতু পরবর্তীতে তাদের কথাই আলোচনা হয়েছে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩৫

 

اِنَّاۤ اَنۡشَاۡنٰهُنَّ اِنۡشَآءً ﴿ۙ۳۵﴾ 

انا انشانهن انشآء ﴿۳۵﴾
নিশ্চয় আমি হূরদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করব।

-আল-বায়ান

তাদেরকে (অর্থাৎ ঐ হুরদেরকে) আমি সৃষ্টি করেছি এক অভিনব সৃষ্টিতে,

-তাইসিরুল

তাদের জন্য আমি করেছি বিশেষ সৃষ্টি।

-মুজিবুর রহমান

Indeed, We have produced the women of Paradise in a [new] creation

-Sahih International

৩৫. নিশ্চয় আমরা তাদেরকে সৃষ্টি করেছি বিশেষরূপে(১)—

(১) أنشأ শব্দের অর্থ সৃষ্টি করা। هُنَّ সর্বনাম দ্বারা জান্নাতের নারীদেরকে বোঝানো হয়েছে। পূর্বোক্ত আয়াতে فرش এর অর্থ জান্নাতে নারী হলে তার স্থলেই এই সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া শয্যা, বিছানা ইত্যাদি ভোগবিলাসের বস্তু উল্লেখ করায় নারীও তার অন্তর্ভুক্ত আছে বলা যায়। আয়াতের অর্থ এই যে, আমি জান্নাতের নারীদেরকে এক বিশেষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি করেছি। [কুরতুবী] জান্নাতী হুরদের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রক্রিয়া এই যে, তাদেরকে জান্নাতেই প্রজননক্রিয়া ব্যতিরেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। দুনিয়ার যেসব নারী জান্নাতে যাবে, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষভঙ্গি এই যে, যারা দুনিয়াতে কুশ্ৰী, কৃষ্ণাঙ্গ অথবা বৃদ্ধ ছিল; জান্নাতে তাদেরকে সুশ্ৰী দূরবর্তী ও লাবণ্যময়ী করে দেয়া হবে। আয়েশা সিদ্দীকা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেনঃ একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গৃহে আগমন করলেন। তখন এক বৃদ্ধা আমার কাছে বসা ছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন এ কে? আমি আরয করলামঃ সে সম্পর্কে আমার খালা হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রসচ্ছলে বললেনঃ “জান্নাতে কোন বৃদ্ধা প্রবেশ করবে না”। একথা শুনে বৃদ্ধ বিষন্ন হয়ে গেল। কোন কোন বর্ণনায় আছে কাঁদতে লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে সান্ত্বনা দিলেন এবং স্বীয় উক্তির অর্থ এই বর্ণনা করলেন যে, বৃদ্ধারা যখন জান্নাতে যাবে, তখন বৃদ্ধা থাকবে না; বরং যুবতী হয়ে প্ৰবেশ করবে। অতঃপর তিনি উপরোক্ত আয়াত পাঠ করে শোনালেন। [শামায়েলে তিরমিযী: ২৪০]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৫) তাদেরকে (হুরীগণকে) আমি সৃষ্টি করেছি বিশেষরূপে।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩৬

 

فَجَعَلۡنٰهُنَّ اَبۡكَارًا ﴿ۙ۳۶﴾ 

فجعلنهن ابكارا ﴿۳۶﴾
অতঃপর তাদেরকে বানাব কুমারী,

-আল-বায়ান

আর তাদেরকে করেছি কুমারী,

-তাইসিরুল

তাদেরকে করেছি কুমারী,

-মুজিবুর রহমান

And made them virgins,

-Sahih International

৩৬. অতঃপর তাদেরকে করেছি কুমারী(১),

(১) أبكار শব্দটি بكر এর বহুবচন। অর্থ কুমারী বালিকা। [আইসারুত-তাফসীর] উদ্দেশ্য এই যে, জান্নাতের নারীদেরকে কুমারী করে সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদেরকে কেউ কখনো স্পর্শ করেনি। অথবা তাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করা হবে যে, প্রত্যেক সঙ্গম-সহবাসের পর তারা আবার কুমারী হয়ে যাবে। [কুরতুবী]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৬) তাদেরকে করেছি কুমারী। [1]

[1] أَنْشَأْنَاهُنَّ এর মধ্যে সর্বনাম যদিও নিকটের কোন বিশেষ্যকে জ্ঞাপন করছে না, তবুও আলোচনার প্রাসঙ্গিকতা এটা প্রমাণ করছে যে, এ থেকে উদ্দেশ্য হল সেই নারী ও হুরগণ, যা জান্নাতবাসীরা লাভ করবে। জান্নাতী হুরগণ সাধারণ জন্ম পদ্ধতির মাধ্যমে জন্ম লাভকারিণী নয়, বরং মহান আল্লাহ জান্নাতে তাদেরকে তাঁর বিশেষ কুদরতে বিশেষ পদ্ধতিতে সৃষ্টি করেছেন। আর হুর ছাড়া পার্থিব স্ত্রীগণকেও জান্নাতবাসীরা স্ত্রী হিসাবে পাবে। এদের মধ্যে বৃদ্ধা, কালো ও কুশ্রী যে যাই হবে, সবাইকে মহান আল্লাহ জান্নাতে যৌবন ও রূপ-লাবণ্য দানে ধন্য করবেন। না কোন বৃদ্ধা বৃদ্ধা থাকবে, আর না কোন কুশ্রী কুশ্রী থাকবে। বরং সবাই হবে কুমারী এবং অনিন্দ্য সুন্দরী।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩৭

 

عُرُبًا اَتۡرَابًا ﴿ۙ۳۷﴾ 

عربا اترابا ﴿۳۷﴾
সোহাগিনী ও সমবয়সী।

-আল-বায়ান

স্বামী ভক্তা, অনুরক্তা আর সমবয়স্কা,

-তাইসিরুল

সোহাগিনী ও সমবয়স্কা –

-মুজিবুর রহমান

Devoted [to their husbands] and of equal age,

-Sahih International

৩৭. সোহাগিনী(১) ও সমবস্কা(২),

(১) عرب শব্দটি عروبة এর বহুবচন। অর্থ স্বামী সোহাগিনী ও প্রেমিকা নারী। আরবী ভাষায় এ শব্দটি মেয়েদের সর্বোত্তম মেয়েসুলভ গুণাবলী বুঝাতে বলা হয়। এ শব্দ দ্বারা এমন মেয়েদের বুঝানো হয় যারা কামনীয় স্বভাব ও বিনীত আচরণের অধিকারিনী, সদালাপী, নারীসুলভ আবেগ অনুভূতি সমৃদ্ধা, মনে প্রাণে স্বামীগত প্রাণ এবং স্বামীও যার প্রতি অনুরাগী। [কুরতুবী; ইবন কাসীর]

(২) أتراب শব্দটি ترب এর বহুবচন। অর্থ সমবয়স্ক। এর দুটি অর্থ হতে পারে। একটি অর্থ হচ্ছে তারা তাদের স্বামীদের সমবয়সী হবে। অন্য অর্থটি হচ্ছে, তারা পরস্পর সমবয়স্ক হবে। অর্থাৎ জান্নাতের সমস্ত মেয়েদের একই বয়স হবে এবং চিরদিন সেই বয়সেরই থাকবে। যুগপৎ এ দু'টি অর্থই সঠিক হওয়া অসম্ভব নয়। অর্থাৎ এসব জান্নাতী নারী পরস্পরও সমবয়সী হবে এবং তাদের স্বামীদেরকেও তাদের সমবয়সী বানিয়ে দেয়া হবে। [ইবন কাসীর] “জান্নাতবাসীরা জান্নাতে প্ৰবেশ করলে তাদের শরীরে কোন পশম থাকবে না। দাড়ি থাকবে না। ফর্সা শ্বেত বর্ণ হবে। কুঞ্চিত কেশ হবে। কাজল কাল চোখ হবে এবং সবার বয়স ৩৩ বছর হবে” [তিরমিযী: ২৫৪৫, মুসনাদে আহমাদ: ২/২৯৫]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৭) প্রেমময়ী ও সমবয়স্কা। [1]

[1] عُرُبٌ হল عَرُوْبَةٌ এর বহুবচন। এমন নারী, যে তার রূপ-সৌন্দর্য ও অন্যান্য গুণের কারণে স্বীয় স্বামীর কাছে অত্যন্ত প্রিয়া। أَتْرَابٌ হল تِرْبٌ এর বহুবচন। অর্থ সমবয়স্কা। অর্থাৎ, যেসব নারীদেরকে জান্নাতবাসীরা স্ত্রীরূপে পাবে, তারা সবাই সমবয়স্কা হবে। যেমন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, সকল জান্নাতী তেত্রিশ বছর বয়সের হবে। (তিরমিযী) অথবা অর্থ হল, নিজ নিজ স্বামীর সমবয়স্কা হবে। উভয় অবস্থাতে অর্থ একই।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩৮

 

لِّاَصۡحٰبِ الۡیَمِیۡنِ ﴿ؕ۳۸﴾ 

لاصحب الیمین ﴿۳۸﴾
ডানদিকের লোকদের জন্য।

-আল-বায়ান

(এ সব হল) ডান দিকের লোকদের জন্য,

-তাইসিরুল

(এ সবই) ডান দিকের লোকদের জন্য।

-মুজিবুর রহমান

For the companions of the right [who are]

-Sahih International

৩৮. ডানদিকের লোকদের জন্য।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৮) ডান হাত-ওয়ালাদের জন্য।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৩৯

 

ثُلَّۃٌ مِّنَ الۡاَوَّلِیۡنَ ﴿ۙ۳۹﴾ 

ثلۃ من الاولین ﴿۳۹﴾
তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

-আল-বায়ান

(যারা হবে) পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে বহু সংখ্যক

-তাইসিরুল

তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে।

-মুজিবুর রহমান

A company of the former peoples

-Sahih International

৩৯. তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৯) তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্যে হতে। [1]

[1] অর্থাৎ, আদম (আঃ) থেকে নিয়ে নবী করীম (সাঃ) পর্যন্ত মানুষদের মধ্য থেকে অথবা মুহাম্মাদ (সাঃ)-এরই উম্মতের পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!

৫৬ : ৪০

 

وَ ثُلَّۃٌ مِّنَ الۡاٰخِرِیۡنَ ﴿ؕ۴۰﴾ 

و ثلۃ من الاخرین ﴿۴۰﴾
আর অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

-আল-বায়ান

আর পরবর্তীদের মধ্য থেকে বহুসংখ্যক

-তাইসিরুল

এবং অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য হতে।

-মুজিবুর রহমান

And a company of the later peoples.

-Sahih International

৪০. এবং অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।(১)

(১) আয়াতের এক অর্থ পূর্বেই বর্ণিত হয়েছে যে, أَوَّلِينَ বলে এই উম্মতেরই প্রাথমিক লোকদের বোঝানো হয়েছে। আর آخِرِينَ বলে এ উম্মতেরই পরবর্তী লোকদের বোঝানো হয়েছে। এমতাবস্থায় আয়াতের অর্থ স্পষ্ট। অর্থাৎ এ উম্মতের আসহাবুল ইয়ামীন উম্মতের প্রাথমিক লোকদের থেকে একটি বড় দল হবে। আর শেষের লোকদের থেকেও একটি বড় দল হবে। আর যদি আয়াতে أَوَّلِينَ বলে আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত সময়ের লোকদের বোঝানো হয় এবং آخِرِينَ বলে এ উম্মতে মুহাম্মদীকেই বোঝানো হয়ে থাকে তবে আয়াতের সারমর্ম এই হবে যে, ‘আসহাবুল-ইয়ামীন’ তথা মুমিন-মুত্তাকীগণ পূর্ববর্তী সমগ্র উম্মতের মধ্য থেকে একটি বড় দল হবে এবং একা উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্য থেকে একটি বড় দল হবে। [দেখুন: কুরতুবী]

মন্তব্য করুন

ব্লগ