Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০২:৫৬ অপরাহ্ণ

লিকুইড আর অ্যাকুয়াস দ্রবণের মধ্যে পার্থক্য কী?

আপনার ঘরে চিনির কৌট থেকে অনেকটা চিনি নিয়ে একটি পাত্রে রাখলেন। এরপর সেই চিনির পাত্রটাকে ওভেনের উপর রেখে আস্তে উত্তপ্ত করতে থাকলেন। একসময় দেখবেন চিনি তার কঠিন অবস্থা থেকে গলে গিয়ে এক্কেবারে তরল হয়ে গেছে। এই যেমন এই ছবিটার মতোন —

main-qimg-3f39c01c898b43142222d1c231b95232-lq

এবার অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক ।

খুব গরম পড়েছে , আপনার ইচ্ছা হলো একটু ঠাণ্ডা চিনির সরবত বানিয়ে খাওয়ার। তাই আপনি একটা গ্লাসে জল নিলেন । এরপর তার মধ্যে কিছুটা চিনি দিয়ে গুলে ঢকঢক করে খেয়ে নিলেন।

main-qimg-fb06e529510ed37cb9bca8832b2f4391-lq

প্রথম যে ঘটনাটি বললাম সেটি হল চিনির তরল অবস্থা বা লিকুউড অবস্থা আর দ্বিতীয়টি হল চিনির জলীয় দ্রবণ অর্থাৎ অ্যাকুয়াস দ্রবণ।

যে দ্রবণে জল দ্রাবক হিসাবে কাজ করে তাকেই বলে অ্যাকুয়াস দ্রবণ ।

দ্রবণ তখনই তৈরি হয় যখন দুই বা ততোধিক পদার্থের সমসত্ত্ব মিশ্রণ হয়। অন্যদিকে তরল অবস্থা বলতে কোন পদার্থের বিশুদ্ধ গলিত অবস্থার কথাই বলা হয় ।

রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে কোন পদার্থের কোন্ অবস্থা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে সেটা বিক্রিয়া সমীকরণ উল্লেখ করার ব্যবস্থাও আছে। এই যেমন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তরল NaCl নিয়ে কাজ হলে লিখতে হবে NaCl (l) ।

আবার অ্যাকুয়াস দ্রবণ নিয়ে ‌কাজ হলে ‌লিখতে হবে NaCl (aq) ।

NaCl (aq) + AgNO3 (aq) → AgCl (s) + NaNO3 (aq)

মন্তব্য করুন

ব্লগ