Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৮:২০ পূর্বাহ্ণ

কেন্দ্রমুখী ও কেন্দ্রবিমুখী বল: বৃত্তাকার পথে ঘোরার রহস্য

যখন কোনো বস্তু বৃত্তাকার পথে ঘোরে, যেমন একটি পাথরকে সুতায় বেঁধে ঘোরালে, তখন একটি বল সব সময় বস্তুটিকে বৃত্তের কেন্দ্রের দিকে টেনে ধরে রাখে। এই বলকেই কেন্দ্রমুখী বল (Centripetal Force) বলে। সুতার টানই এখানে কেন্দ্রমুখী বলের যোগান দেয়।
যদি এই বলটি (যেমন সুতাটি) হঠাৎ ছিঁড়ে যায়, তবে বস্তুটি আর বৃত্তাকার পথে ঘুরবে না, সোজা স্পর্শক বরাবর ছিটকে বেরিয়ে যাবে।
অপরদিকে, বৃত্তাকার পথে ঘোরার সময় আমরা বাইরের দিকে ছিটকে যাওয়ার যে প্রবণতা বা ধাক্কা অনুভব করি, তাকে কেন্দ্রবিমুখী বল (Centrifugal Force) বলা হয়। এটি মূলত কেন্দ্রমুখী বলের একটি প্রতিক্রিয়া বা একটি 'আপাত' (illusory) বল।
বাস্তব উদাহরণ:
রাস্তায় বাঁক নেওয়া: গাড়ি যখন কোনো বাঁক নেয়, তখন রাস্তার টায়ার ও রাস্তার মধ্যে ঘর্ষণ বল প্রয়োজনীয় কেন্দ্রমুখী বলের যোগান দেয়। গতি খুব বেশি হলে এই ঘর্ষণ বল যথেষ্ট হয় না, ফলে গাড়ি ছিটকে যেতে পারে।
রাস্তার ব্যাঙ্কিং: দুর্ঘটনা এড়াতে রাস্তার বাঁকগুলো বাইরের দিকে উঁচু করা হয় (যাকে ব্যাঙ্কিং বলে), যা গাড়িকে প্রয়োজনীয় কেন্দ্রমুখী বল পেতে সাহায্য করে।
সাইকেল আরোহী: সাইকেল আরোহীরা বাঁক নেওয়ার সময় কেন্দ্রের দিকে হেলে পড়েন। এই হেলে পড়া অংশটিই তাদের কেন্দ্রমুখী বল তৈরি করতে সাহায্য করে।
মন্তব্য করুন