Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৯:০০ অপরাহ্ণ

আল্লাহ পাকের ক্ষমা লাভের সহজ ৪টি শর্ত!

আল্লাহ পাকের ক্ষমা লাভের সহজ ৪টি শর্ত!

মানুষ স্বভাবতই ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। প্রতিদিনের জীবনে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় অসংখ্য গুনাহ সংঘটিত হয়। তবে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য ক্ষমার দুয়ার সর্বদা উন্মুক্ত রেখেছেন। শুধু প্রয়োজন সঠিক নিয়মে খাঁটি অন্তরে ক্ষমা প্রার্থনা করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও, এরপর তাঁর দিকে ফিরে আসো।’ (সুরা হুদ: )

ইস্তেগফার কী কেন জরুরি?

ইস্তেগফার হলো আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য কায়মনোবাক্যে ক্ষমা প্রার্থনা। এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বড় মাধ্যম। প্রিয়নবী (.) নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ বার তাওবা ইস্তেগফার করতেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (.)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহর শপথ! আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে ৭০ বারেরও বেশি ইস্তেগফার তাওবা করে থাকি।’ (সহিহ বুখারি: ৬৩০৭)

ওলামায়ে কেরাম কোরআন-হাদিসের আলোকে গুনাহ মাফের জন্য কয়েকটি স্পষ্ট শর্ত বর্ণনা করেছেন। এগুলো পালন করলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহর ক্ষমা লাভ সহজ হবে। সেগুলো হলো-

. গুনাহ ত্যাগ করা
ক্ষমা পেতে সর্বপ্রথম গুনাহের কাজটি ছাড়তে হবে। গুনাহ চলমান অবস্থায় তাওবা কবুল হয় না।

. গুনাহের জন্য অনুতপ্ত হওয়া
কৃত গুনাহের জন্য অন্তরে অনুশোচনা লজ্জা অনুভব করতে হবে। এটি তাওবার প্রাণ।

. ভবিষ্যতে না করার দৃঢ় সংকল্প
ওই গুনাহ ভবিষ্যতে না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে। শুধু মুখে নয়, মনে মনেই এই সংকল্প থাকতে হবে।

. বান্দার হক আদায় করা
গুনাহটি যদি কোনো মানুষের হকের সাথে জড়িত হয় (যেমন: অর্থ-সম্পদ, সম্মানহানি), তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হক আদায় করে নিতে হবে বা তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।

উল্লেখিত চারটি বিষয় তাওবা-ইস্তেগফার আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্য কবুল হওয়ার শর্ত।


মন্তব্য করুন