সহকারী শিক্ষক
১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:১২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
শেখা তখনই সবচেয়ে ভালো হয়, যখন শিক্ষার্থীরা নিজেরা শেখার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। এই অংশগ্রহণমূলক শিক্ষণকেই বলা হয় সক্রিয় শিক্ষণ পদ্ধতি (Active Learning)। এখানে শুধু শিক্ষক কথা বলেন না; শিক্ষার্থীরা আলোচনা করে, প্রশ্ন করে, কাজ করে এবং নিজেদের মতামত দেয়।
সক্রিয় শিক্ষণ হলো এমন একটি পদ্ধতি—
যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজের হাতে, নিজের চিন্তায় ও নিজের কাজের মাধ্যমে শেখে।
অর্থাৎ, শুধু শুনে নয়, বরং করতে করতে শেখা।
শেখা আরও মজাদার হয়
জ্ঞান দীর্ঘদিন মনে থাকে
সৃজনশীলতা বাড়ে
সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা গড়ে ওঠে
দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা জন্মায়
আত্মবিশ্বাস বাড়ে
শিক্ষার্থীরা ছোট দলে ভাগ হয়ে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
এতে—
মতামত দিতে শেখে
অন্যকে শুনতে শেখে
সহযোগিতা বাড়ে
একটি ছবি বা চার্ট দেখে শিক্ষার্থীরা নিজে নিজে বিষয়টি বুঝতে পারে।
এতে শেখা সহজ হয়।
শিক্ষক প্রশ্ন করেন, শিক্ষার্থীরা উত্তর দেয়।
কখনও শিক্ষার্থীরা শিক্ষককে প্রশ্নও করতে পারে।
এতে চিন্তাশক্তি বাড়ে।
শিক্ষার্থীরা কোনো গল্প বা চরিত্র অভিনয় করে শেখে।
যেমন— ডাক্তার, কৃষক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী ইত্যাদি।
নির্দিষ্ট একটি বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীরা ছোট্ট একটি প্রকল্প সম্পন্ন করে।
যেমন—
পরিবেশ
স্বাস্থ্য
আমাদের গ্রাম
পাখি এবং প্রাণী
এতে গবেষণা ও সৃজনশীলতা বাড়ে।
বিভিন্ন খেলাধুলা, পাজল, কুইজ—
শেখাকে আনন্দময় করে তোলে।
যেমন—
বিজ্ঞান পরীক্ষা
মাটি দিয়ে আকার তৈরি
চিত্রাঙ্কন
বীজ রোপণ
এগুলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এনে দেয়।
নির্দেশনা দেওয়া
উৎসাহ দেওয়া
প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা করা
শিক্ষার্থীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া
শেখার পরিবেশকে আনন্দদায়ক করা
সক্রিয় শিক্ষণ পদ্ধতি হলো—
শুনে নয়, বরং করে, দেখে, আলোচনা করে, প্রশ্ন করে ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে শেখা।
এতে শিক্ষার্থীরা শুধু মুখস্থ করে না—
বরং সত্যিকারের জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করে।
১
১ মন্তব্য