সহকারী শিক্ষক
১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:০১ অপরাহ্ণ
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল (Rutherford Atomic Model)
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল (Rutherford Atomic Model) ছিল আধুনিক পরমাণু কাঠামো বোঝার এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি ১৯১১ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড প্রস্তাব করেন। নিচে সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:
-রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল
১. কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস (Nucleus) বলা হয়
রাদারফোর্ডের মতে, পরমাণুর কেন্দ্রে একটি খুবই ছোট, কিন্তু অত্যন্ত ঘন ও ধনাত্মক চার্জযুক্ত কেন্দ্র থাকে—যাকে নিউক্লিয়াস বলা হয়।
২. সমস্ত প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
নিউক্লিয়াসে মূলত প্রোটন (পজিটিভ চার্জযুক্ত কণা) থাকে। ইলেকট্রনরা বাইরে থাকে।
৩. ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘোরে
ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে গ্রহ-সূর্য এর মতো কক্ষপথে ঘোরে। এ কারণে মডেলটিকে অনেক সময় Planetary Model বলা হয়।
৪. পরমাণুর বেশিরভাগ অংশ ফাঁকা জায়গা
রাদারফোর্ড দেখেন যে পরমাণুর অধিকাংশই ফাঁকা থাকে। তাই আলফা-কণার অধিকাংশই বাধা ছাড়াই চলে যায়।
৫. পরীক্ষার ভিত্তি: Gold Foil Experiment
তিনি একটি পাতলা সোনার পাতের উপর আলফা-কণা নিক্ষেপ করে দেখেন—
বেশিরভাগ কণা সরাসরি চলে যায় → প্রমাণ: পরমাণুর ভেতর ফাঁকা।
কিছু কণা একটু বেঁকে যায় → প্রমাণ: ধনাত্মক চার্জ আছে।
খুব অল্প কণা পিছনে ফিরে আসে → প্রমাণ: ছোট কিন্তু খুব ঘন নিউক্লিয়াস।
রাদারফোর্ড মডেলের সীমাবদ্ধতা
এটি ইলেকট্রনের স্থিতিশীল কক্ষপথ ব্যাখ্যা করতে পারে না।
পদার্থবিদ্যার নিয়ম অনুযায়ী ঘোরে এমন ইলেকট্রন শক্তি হারিয়ে নিউক্লিয়াসে পতিত হওয়ার কথা—কিন্তু বাস্তবে তা হয় না।
→ এসব সমস্যা থেকে বোরের পরমাণু মডেল আসে।
১
১ মন্তব্য