সহকারী শিক্ষক
১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৭:১১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
৫৬ : ৯১
فَسَلٰمٌ لَّكَ مِنۡ اَصۡحٰبِ الۡیَمِیۡنِ ﴿ؕ۹۱﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৯১. তবে তাকে বলা হবে, তোমাকে সালাম যেহেতু তুমি ডান দিকের একজন।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৯১) তাহলে (তাকে বলা হবে,) তোমার প্রতি শান্তি;[1] কারণ তুমি ডান হাত-ওয়ালাদের একজন।
[1] অথবা (হে মুহাম্মাদ!) ডান হাত-ওয়ালাদের তরফ থেকে তোমার জন্য সালাম।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান৫৬ : ৯২
وَ اَمَّاۤ اِنۡ كَانَ مِنَ الۡمُكَذِّبِیۡنَ الضَّآلِّیۡنَ ﴿ۙ۹۲﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৯২. কিন্তু সে যদি হয় মিথ্যারোপকারী বিভ্রান্তদের একজন,
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৯২) কিন্তু সে যদি মিথ্যাজ্ঞানকারী ও বিভ্রান্তদের একজন হয়, [1]
[1] এরা তৃতীয় শ্রেণীর মানুষ; যাদেরকে সূরার শুরুতে أَصْحَابُ الْمَشْئَمَةِ বলা হয়েছিল। অর্থাৎ, বাম হাত-ওয়ালা, হতভাগ্য বা কুলক্ষণ লোক। এরা নিজেদের কুফরী ও মুনাফিক্বীর শাস্তি অথবা তার কুলক্ষণের ফল জাহান্নামের আযাব আকারে ভোগ করবে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান৫৬ : ৯৩
فَنُزُلٌ مِّنۡ حَمِیۡمٍ ﴿ۙ۹۳﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৯৩. তবে তার আপ্যায়ন হবে অতি উষ্ণ পানির,
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৯৩) তাহলে (তার জন্য রয়েছে) ফুটন্ত পানি দ্বারা আপ্যায়ন।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান৫৬ : ৯৪
وَّ تَصۡلِیَۃُ جَحِیۡمٍ ﴿۹۴﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৯৪. এবং দহন জাহান্নামের;
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৯৪) এবং জাহান্নাম প্রবেশ।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান৫৬ : ৯৫
اِنَّ هٰذَا لَهُوَ حَقُّ الۡیَقِیۡنِ ﴿ۚ۹۵﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৯৫. নিশ্চয় এটা সুনিশ্চিত সত্য।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৯৫) নিশ্চয় এটাই তো ধ্রুব সত্য।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান৫৬ : ৯৬
فَسَبِّحۡ بِاسۡمِ رَبِّكَ الۡعَظِیۡمِ ﴿۹۶﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৯৬. অতএব আপনি আপনার মহান রবের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন।(১)
(১) সুরার উপসংহারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলা হয়েছে যে, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন। এতে সালাতের ভিতরে ও বাইরের সব তাসবীহ দাখিল রয়েছে। খোদ সালাতকেও মাঝে মাঝে তসবীহ বলে ব্যক্ত করা হয়। এমতাবস্থায় এটা সালাতের প্রতি গুরুত্বদানেরও আদেশ হয়ে যাবে। তাসবীহ পাঠের বিভিন্ন ফযীলত হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি কেউ বলে ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহী’ জান্নাতে তার জন্য একটি খেজুর গাছ রোপন করা হয়।” [তিরমিযী: ৩৪৬৪, ৩৪৬৫] অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “দু'টি এমন বাক্য রয়েছে যা জিহবার উপর হাল্কা, মীযানের পাল্লায় ভারী, রাহমানের নিকট প্রিয়, তা হচ্ছে, “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম”৷ [বুখারী: ৬৪০৬, ৬৬৮২, ৭৫৬৩, মুসলিম: ২৬৯৪]
তাফসীরে জাকারিয়া(৯৬) অতএব, তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। [1]
[1] হাদীসে এসেছে যে, দু’টি বাক্য আল্লাহর নিকট অতি প্রিয়, মুখে বলতে খুবই সহজ এবং দাঁড়ি-পাল্লায় হবে খুবই ভারী। আর তা হল, سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيْمِ (বুখারীঃ সর্বশেষ হাদীস, মুসলিম)
১৪
২৪ মন্তব্য