সহকারী শিক্ষক
১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:৩৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
উত্তর কোরিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত, যেখানে শিক্ষার পাশাপাশি রাজনৈতিক আদর্শ ও রাষ্ট্রীয় দর্শন ‘জুচে’ (স্বনির্ভরতা) শেখানো হয়।
উত্তর কোরিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা কয়েকটি ধাপে বিভক্ত:
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা (কিন্ডারগার্টেন): সাধারণত ৫ বছর বয়সে শুরু হয়। এখানে শিশুদের সামাজিকীকরণ ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধ শেখানো হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা (৫ বছর): মৌলিক বিষয় যেমন গণিত, কোরিয়ান ভাষা, বিজ্ঞান শেখানো হয়।
মাধ্যমিক শিক্ষা (৬ বছর): জুনিয়র ও সিনিয়র স্তরে বিভক্ত। শিক্ষার্থীরা এখানে রাষ্ট্রীয় ইতিহাস, বিজ্ঞান, এবং রাজনৈতিক আদর্শ শিখে।
উচ্চশিক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয় বা টেকনিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারে। তবে ভর্তি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক আনুগত্য ও পার্টি-সংযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত শিক্ষা: সব স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্র পরিচালিত।
আদর্শিক শিক্ষা: পাঠ্যক্রমে জুচে দর্শন, কিম ইল-সুং ও কিম জং-ইলের চিন্তাধারা বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকে।
সর্বজনীন শিক্ষা: শিক্ষা বিনামূল্যে এবং সর্বজনীন, তবে তথ্যের স্বাধীনতা সীমিত।
শিক্ষক সংখ্যা: ১৯৮৮ সালে UNESCO রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় ২৩,০০০ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ছিল।
প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান শিক্ষা থাকলেও ইন্টারনেট ও বৈশ্বিক তথ্যপ্রবাহ সীমিত।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংখ্যা খুবই কম, কারণ দেশটি বাইরের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ রাখে।
শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য তৈরি করা, সৃজনশীলতা নয়।
তথ্যপ্রবাহের সীমাবদ্ধতা: শিক্ষার্থীরা বাইরের বিশ্বের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে না।
রাজনৈতিক চাপ: শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বাধীন চিন্তার জায়গা নেই।
গবেষণার ঘাটতি: বৈজ্ঞানিক গবেষণা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাতে পারে না।
উত্তর
৬৫
১০০ মন্তব্য