Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০২:১৩ অপরাহ্ণ

কোন পথে যাবে বিশ্ব অর্থনীতি।।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিশ্ব অর্থনীতি বর্তমানে একটি মন্থর প্রবৃদ্ধির পথে এগোচ্ছে, যেখানে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিদ্যমান। 

প্রধান প্রবণতা এবং দিকনির্দেশনা:

মন্থর প্রবৃদ্ধি: বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০২৪ সালের ৩.৩ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫ সালে ৩.২ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ৩.১ শতাংশে নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ১.৫ শতাংশ এবং উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে ৪ শতাংশের কিছু বেশি হতে পারে।

ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মতো ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছে। এর ফলে পণ্যের সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হচ্ছে এবং বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার: দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মূল্যস্ফীতি অনেক দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়িয়েছে, যার ফলে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ঋণ গ্রহণের প্রবণতা কমেছে এবং বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

উদীয়মান অর্থনীতির উত্থান: দীর্ঘমেয়াদে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির আকার দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে এবং চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, এমনকি বাংলাদেশের মতো উদীয়মান বাজারগুলো উন্নত দেশগুলোর তুলনায় দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাবে বলে পূর্বাভাস করা হচ্ছে।

প্রযুক্তি ও সংস্কার: প্রযুক্তি-চালিত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ভবিষ্যতের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হবে। অনেক দেশ অর্থনৈতিক নীতি সংস্কারের পথে হাঁটছে, যার লক্ষ্য বৈষম্য হ্রাস এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জন।

মন্তব্য করুন