সহকারী অধ্যাপক
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৯:৫৬ অপরাহ্ণ
সহকারী অধ্যাপক
সেরিব্রাম (Cerebrum): মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ, চিন্তা, স্মৃতি, ভাষা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ইচ্ছাকৃত চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে।
সেরিবেলাম (Cerebellum): ভারসাম্য, সমন্বয় ও সূক্ষ্ম গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে।
ব্রেইনস্টেম (Brainstem): শ্বাস-প্রশ্বাস, হৃদস্পন্দন, রক্তচাপের মতো মৌলিক জীবনধারণের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
মস্তিষ্কে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরন থাকে।
প্রতিটি নিউরন বৈদ্যুতিক সংকেত (action potential) তৈরি করে এবং সিন্যাপ্স দিয়ে রাসায়নিক বার্তা (neurotransmitter) পাঠায়।
এই সংকেতগুলো মেরুদণ্ড ও স্নায়ুর মাধ্যমে শরীরের প্রতিটি অঙ্গে পৌঁছে যায়।
চিন্তা ও যুক্তি: ফ্রন্টাল লোব সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা ও সমস্যা সমাধান করে।
সংবেদন: প্যারিয়েটাল লোব স্পর্শ, চাপ, তাপমাত্রা ও ব্যথা অনুভব করে।
শ্রবণ ও ভাষা: টেম্পোরাল লোব শব্দ ও ভাষা প্রক্রিয়াজাত করে।
দৃষ্টি: অক্সিপিটাল লোব চোখ থেকে আসা তথ্য বিশ্লেষণ করে।
আবেগ: লিম্বিক সিস্টেম আবেগ, স্মৃতি ও প্রেরণা নিয়ন্ত্রণ করে।
তথ্য গ্রহণ: চোখ, কান, নাক, ত্বক ও অন্যান্য অঙ্গ থেকে সংকেত আসে।
প্রক্রিয়াজাতকরণ: নিউরনগুলো সেই সংকেত বিশ্লেষণ করে।
প্রতিক্রিয়া: মস্তিষ্ক সিদ্ধান্ত নিয়ে শরীরকে নির্দেশ দেয়—যেমন হাত সরানো, কথা বলা বা আবেগ প্রকাশ করা।
শিক্ষা: মস্তিষ্কের নিউরন সংযোগ যত বেশি সক্রিয় হয়, শেখার ক্ষমতা তত বাড়ে।
স্মৃতি: নিউরনের সংযোগ শক্তিশালী হলে দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতি তৈরি হয়।
আবেগ ও আচরণ: মস্তিষ্কের রাসায়নিক ভারসাম্য আবেগ ও মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে।
মানব মস্তিষ্ক হলো শরীরের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, যা নিউরনের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদান করে। এর বিভিন্ন অংশ চিন্তা, আবেগ, স্মৃতি, সংবেদন ও চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে।
১
১ মন্তব্য