Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:১৩ অপরাহ্ণ

আপনার সন্তানকে যে কারণে মাদরাসায় ভর্তি করাবেন

ওহীভিত্তিক নৈতিক শিক্ষার্জন করা ফরজে আইন। আল্লাহপাক প্রথম আয়াত নাজিল করে বলেছেন, إقرأ بإسم ربك الذی خلق. "হে নবী! আপনি পড়ুন আপনার প্রভূর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। " (আলাক্বঃ১) রাসূল (স.) বলেছেন, طلب العلم فريضة علی کل مسلم  "বিদ্যার্জন করা প্রতিটা মুসলিম নর-নারীর উপর ফরজ।" (ইবনে মাজাহ-২২৪)

উক্ত আয়াত ও হাদিসে মূলত আল্লাহর বিধান সম্বলিত ওহীভিত্তিক নৈতিক শিক্ষার্জনের প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। এ দ্বীনি শিক্ষার্জন করা প্রতিটা মুসলিম নর-নারীর উপর ফরজে আইন। যা কেবল মাদরাসায়-ই শিক্ষা দেয়া হয়।

★মাদরাসার শিক্ষার্থী নবীর (সাঃ) ওয়ারিস হয়ে গড়ে ওঠে !

★মাদরাসার শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয় না। নিজ বাড়িটাই গড়ে ওঠে জান্নাতি পরিবেশে। 

★মাদরাসার শিক্ষার্থী থাকে মাদক ও নেশা মুক্ত !

★মাদরাসার শিক্ষার্থী সাধারনত: বিনয়ী,নম্র ও মানবদরদী হয় !

★মাদরাসার শিক্ষার্থী জঙ্গী,সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হয় না !

★মাদরাসার শিক্ষার্থী পরিণত বয়সে হালাল খাওয়ার চেষ্ট করে !

★দূর্নীতিবাজের তালিকায় মাদরাসার ছাত্র/ছাত্রীর নাম নেই বললেই চলে! 

★মাদরাসার ছাত্র/ছাত্রীরা  প্রকৃত দেশ প্রেমিক হয়ে থাকে।

★মাদরাসার ছাত্র/ছাত্রীরা জাতিকে দো’জাহানের মুক্তির পথ দেখায়।

★মাদরাসার শিক্ষার্থীরা পারিবারিক জীবনে উত্তম স্বামী ও সতী সাধ্বী স্ত্রী হয়ে থাকে।

★এক সময় মানুষ মাদাসার ছাত্রদের চাকুরী দিতে ভ্রুকুঞ্চিত করত। বর্তমান যুগটা ইসলামের জয় ঝংকারের যুগ। এখন মাদ্রাসার যোগ্য ছাত্রদের খুঁজে খুঁজে চাকুরী দেবার সময় এসেছে।


★ নবী মুহাম্মদ (স.) আরবের বর্বর মানুষ গুলোকে একমাত্র ইলমে ওহীর মাধ্যমেই ২৩ বৎসরের ব্যাবধানে সোনার মানুষে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রথমত ইলমে ওহী শিক্ষা করা ফরজে আইন ; সাথে জেনারেল শিক্ষা অর্জন করলে সোনায় সোহাগা। আর শুধু জেনারেল শিক্ষা অর্জন করলে বিভ্রান্তিতে নিপতিত হওয়ার সম্ভাবনাই থাকে বেশী। অন্ধের হাতে আলোর মশাল দিলে যা হয়! যেমন রাসূলের (স.) চাচা

আবুল হিকাম (জ্ঞানের পিতা) সাধারণ জ্ঞানে পন্ডিত হওয়া সত্ত্বেও ঐশী জ্ঞান না থাকায় ইসলাম যুগে তার নাম দেয়া হয়েছে আবু জাহেল (মূর্খের পিতা)। এ  শিক্ষিতরাই রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করে। জনগণ ও দেশের টাকা উজার করে। দেশকে মগের মুল্লুকে পরিণত করে। আল্লাহ নিকট পানাহ্ চাই। 


★সাধারণ ও দীনী উভয় শিক্ষার সমন্বয় হলো মাদ্রাসা শিক্ষা। 

আল্লাহপাক ঘোষণা করেন, 

 وعلم ادم الأسماء کلها.

"আল্লাহপাক, আদম (আ.) কে সকল বিষয়ের নাম শিক্ষা দিয়েছেন।" (বাক্বারাঃ ৩১) আর আলিয়া মাদ্রাসা  (সাধারণ + দীনী) সেই সকল শিক্ষার বেসাতিই বিতরন করে যাচ্ছে। 


★মাদ্রাসার ছাত্ররা ভর্তি ও চুড়ান্ত  পরীক্ষায় আজ ঢাবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ১ম স্থান অধিকার করছে। তারা বিসিএস সহ সরকারী বেসরকারী বড় বড় পদ অলংকৃত করাও শুরু করছে।

★জেনারেল পোস্টের একটি চাকুরীর জন্য আপনার সন্তানকে ১০০-২০০ যুদ্ধার সাথে ফাইট করতে হবে ; আর মাদরাসার একটি চাকুরীর জন্য মাত্র ১০-২০ জনের সাথে  প্রতিযোগিতা করতে হবে। চাকুরীটা তার জন্য কতইনা ইজি ?! 

 

★বর্তমাণ আলীয়া মাদরাসার সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলি প্রতি মাসে ৪০/৫০/৬০/৭০ হাজার টাকা বেতন পান। আবার অনেকে প্রতি রাতে ওয়াজ-কালাম করেও পেয়ে থাকেন প্রায় অনুরূপ পরিমাণ টাকা ! 

★ মাদ্রাসার একজন স্বল্প শিক্ষিত লোক সম্পর্কে আজো শুনা যায়নি অনাহারে মারা গেছেন। ইস্ত্রীকরা জামা এবং স্বর্গীয় মুচকি হাসির ঝলক নিয়েই তো তাঁদের বিচরণ করতে দেখি! 


এ গেল তাঁর দুনিয়ার  কথা। আর আখিরাত ?  আরে তাতো আরো চমৎকার!! আল্লাহু আকবার !!!

রসূলুল্লাহ (স.) বলেন, "যে ব্যক্তি কুরআন পড়ে, তা প্রকাশ ও প্রচার করে এবং এর হালালকে হালাল ও হারামকে হারাম মেনে চলে, আল্লাহপাক তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন দশ ব্যক্তির জন্য তার সুপারিশ কবূল করবেন, যাদের প্রত্যেকেরই (বদ আমলের কারণে) জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গিয়েছিল। " (তিরমিযীঃ২৯০৫) 

★রসূলুল্লাহ (স.) আরো বলেন, "যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং তদানুযায়ী আমল করে, ক্বিয়ামত দিবসে তাঁর পিতা-মাতাকে এমন মুকুট পরানো হবে যার আলো সূর্যের আলোর চাইতেও উজ্জ্বল ও ব্রাইটনেস হবে। "(সুনানে আবু দাউদঃ ১৪৫৩)

★রাসূলুল্লাহ (স.) আরো বললেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তাঁর ফেরেশতাগণ এবং আসমান যামীনের অধিবাসীরা, এমনকি গর্তের পিপিলিকা এবং পানির মাছ পর্যন্ত সেই ব্যক্তির জন্য দু’আ করে যে মানুষকে কল্যাণকর জ্ঞান শিক্ষা দেয়।" (তিরমিজিঃ২৬৮৫)

এসব আকর্ষণীয় অফার পেতে হলে আপনার সন্তানকে মাদরাসায়ই ভর্তি করাতে হবে। কারন তেঁতুল বীজ বপন করে আপনি কখনও মিষ্টি আঙ্গুরের আশা করতে পারেন না। আর এ কথা সত্য যে, মারাসা শিক্ষার মাধ্যমে আপনার সন্তান এবং আপনার পরিবারটা একদম জান্নাতমুখী হবে

মন্তব্য করুন

ব্লগ