ইসলামের দৃষ্টিতে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালনের মূল করণীয় হলো
মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা, শহীদদের জন্য দোয়া করা, এবং বিজয় ও স্বাধীনতাকে নেয়ামত হিসেবে জেনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও তা সংরক্ষণ করা, যা
কুরআন ও সুন্নাহ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা অনুযায়ী করা উচিত, যেমন 『সূরা নাসর』য় বলা হয়েছে। এর মানে হলো, আনন্দ প্রকাশ করা যাবে, কিন্তু এর সাথে আল্লাহর স্মরণ ও ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) থাকবে, এবং <
ইসলামের মৌলিক মূল্যবোধ মেনে বিজয় দিবস উদযাপন করতে হবে, যা <
স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।
করণীয়:
- শুকরিয়া ও তাসবিহ: বিজয়ের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং 'সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার' পাঠ করা (সূরা নাসর অনুযায়ী)।
- শহীদদের জন্য দোয়া: দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা (আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতা'ঈনুকা...)।
- কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: বিজয়কে একটি বিশেষ নেয়ামত মনে করে কৃতজ্ঞ হওয়া এবং শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠা ও চর্চায় সচেষ্ট থাকা।
- ইস্তিগফার: আল্লাহ তা'আলার কাছে অতীতের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা চাওয়া।
- সালাম ও শ্রদ্ধা: জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করা।
- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম: আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা যেতে পারে, যা < ধর্মীয় চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় (যেমন < ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা মসজিদ/মাদ্রাসা থেকে)।
যা পরিহার করা উচিত:
- ইসলাম বিরোধী বা < অশ্লীলতাপূর্ণ কোনো কাজ বা উদযাপন করা উচিত নয়।
- যা < স্বাধীনতা ও মানবতার লক্ষ্যকে ভুল পথে চালিত করে, তা থেকে বিরত থাকা।
সংক্ষেপে, বিজয় দিবসকে আল্লাহর নেয়ামত জেনে তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং শহীদদের স্মরণের মাধ্যমে উদযাপন করা এবং ইসলামের আলোকে দেশ ও সমাজের কল্যাণ কামনা করা ইসলামের দৃষ্টিতে করণীয়।
১
১ মন্তব্য