সহকারী শিক্ষক
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
৫৯ : ১৫
كَمَثَلِ الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡ قَرِیۡبًا ذَاقُوۡا وَبَالَ اَمۡرِهِمۡ ۚ وَ لَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ﴿ۚ۱۵﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
১৫. এরা সে লোকদের মত, যারা এদের অব্যবহিত পূর্বে নিজেদের কৃতকর্মের শাস্তি ভোগ করেছে(১), আর তাদের জন্য রয়েছে। যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
(১) এখানে কাদের কথা বলা হচ্ছে তা নির্ধারণ করা নিয়ে দু'টি মত রয়েছে। মুজাহিদ বলেন, এরা হচ্ছে বদরের কাফের যোদ্ধা। পক্ষান্তরে ইবনে আব্বাস বলেন, এরা হচ্ছে বনু কাইনুকা এর ইয়াহুদীরা। [ইবন কাসীর]
তাফসীরে জাকারিয়া(১৫) (ওরা) তাদের মত, যারা তাদের অব্যবহিত পূর্বে গত হয়েছে, যারা নিজেদের কৃতকর্মের শাস্তি আস্বাদন করেছে।[1] আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। [2]
[1] এ থেকে কেউ কেউ মক্কার মুশরিকদেরকে বুঝিয়েছেন। যারা বানু-নায্বীর যুদ্ধের কিছু দিন পূর্বে বদর যুদ্ধে চরমভাবে পরাজিত হয়েছিল। অর্থাৎ, এরাও পরাজয় ও লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার ব্যাপারে মুশরিকদের মতনই, যাদের যামানা অতি নিকটেই অতিবাহিত হয়েছে। কেউ কেউ ইয়াহুদীদের দ্বিতীয় গোত্র বানু-ক্বাইনুক্বা’কে বুঝিয়েছেন। যাদেরকে বানু-নায্বীরদের পূর্বে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং যারা কাল ও স্থান উভয় দিক দিয়েই এদের কাছাকাছি ছিল।(ইবনে কাসীর)
[2] এই যে শাস্তি তারা ভোগ করল এটা তো দুনিয়ার শাস্তি। এ ছাড়াও তাদের জন্য রয়েছে আখেরাতের শাস্তি; যা হবে অতীব যন্ত্রণাদায়ক।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান৫৯ : ১৬
كَمَثَلِ الشَّیۡطٰنِ اِذۡ قَالَ لِلۡاِنۡسَانِ اكۡفُرۡ ۚ فَلَمَّا كَفَرَ قَالَ اِنِّیۡ بَرِیۡٓءٌ مِّنۡكَ اِنِّیۡۤ اَخَافُ اللّٰهَ رَبَّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۱۶﴾
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
১৬. এরা শয়তানের মত, সে মানুষকে বলে, কুফরী কর; তারপর যখন সে কুফরী করে তখন সে বলে, তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই, নিশ্চয় আমি সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহকে ভয় করি।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৬) (ওরা) শয়তানের মত, যে মানুষকে বলে, অবিশ্বাস কর। অতঃপর যখন সে অবিশ্বাস করে, তখন শয়তান বলে, ‘তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই, [1] নিশ্চয় আমি বিশ্ব-জাহানের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় করি।’ [2]
[1] এখানে ইয়াহুদী ও মুনাফিকদের আর একটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে। মুনাফিকরা ইয়াহুদীদের কোনই সাহায্য না করে যেমন অসহায় ছেড়ে দিয়েছিল, অনুরূপ আচরণ শয়তানও করে মানুষের সাথে। প্রথমে সে মানুষকে ভ্রষ্ট করে। সুতরাং সে যখন তার অনুসরণ করে কুফরী করে বসে, তখন সে (শয়তান) তার সাথে সম্পর্ক-ছিন্নতার কথা ঘোষণা করে।
[2] শয়তান তার এই কথায় সত্যবাদী নয়। উদ্দেশ্য কেবল সেই কুফরী থেকে স্বতন্ত্রতা ও সম্পর্কহীনতার ঘোষণা দেওয়া, যা মানুষ তার চক্রান্তে করে থাকে।
৭
৭ মন্তব্য