ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস হলো সূর্যালোক, তবে খাদ্যতালিকায় স্যামন, সার্ডিন, টুনা, ডিমের কুসুম, কড লিভার অয়েল, গরুর কলিজা, এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ দুধ, দই, কমলালেবুর রস ও সিরিয়াল যোগ করা যেতে পারে; মাশরুম এবং কিছু ফর্টিফাইড খাবারও ভিটামিন ডি-এর ভালো উৎস।
প্রাকৃতিক উৎস:
চর্বিযুক্ত মাছ (Fatty Fish):
স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকেরেল, ট্রাউট, টুনা, হেরিং এবং কড মাছ ভিটামিন ডি-এর চমৎকার উৎস।
কড লিভার অয়েল (Cod Liver Oil):
ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
ডিমের কুসুম (Egg Yolks):
এতে ভিটামিন ডি এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান থাকে।
গরুর কলিজা (Beef Liver):
এটি ভিটামিন ডি-এর একটি ভালো উৎস।
মাশরুম (Mushrooms):
সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসা মাশরুমে ভিটামিন ডি-২ থাকে।
ফর্টিফাইড খাবার (Fortified Foods):
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার:
অনেক দুধ, দই, পনির ভিটামিন ডি দিয়ে ফর্টিফাইড করা হয়।
কমলালেবুর রস (Orange Juice):
কিছু ব্র্যান্ডের কমলার রসে ভিটামিন ডি যোগ করা থাকে।
সিরিয়াল ও ব্রেকফাস্ট ফুড (Cereals):
প্রাতঃরাশের অনেক সিরিয়ালে ভিটামিন ডি মেশানো হয়।
উদ্ভিদ-ভিত্তিক দুধ:
সয়া মিল্ক, আমন্ড মিল্কের মতো কিছু উদ্ভিজ্জ দুধেও ভিটামিন ডি ফর্টিফাই করা হয়।
৫৩
৯১ মন্তব্য