Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:৪৩ অপরাহ্ণ

খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়া
খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়া হলো জটিল খাদ্যবস্তুকে (শর্করা, প্রোটিন, ফ্যাট) উৎসেচকের সাহায্যে ভেঙে সরল ও শোষণযোগ্য উপাদানে (গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড) পরিণত করার একটি জৈব রাসায়নিক পদ্ধতি, যা যান্ত্রিক ও রাসায়নিক—দুই প্রক্রিয়ায় ঘটে, যার মাধ্যমে পুষ্টি উপাদান রক্তে শোষিত হয়ে কোষে পৌঁছায়। এই প্রক্রিয়া মুখগহ্বর থেকে শুরু হয়ে পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রে সম্পন্ন হয় এবং শেষ হয় মলত্যাগের মাধ্যমে।  
পরিপাক প্রক্রিয়ার প্রধান ধাপসমূহ:
  1. খাদ্য গ্রহণ (Ingestion): 
    মুখে খাবার নেওয়া। 
দাঁত দিয়ে চিবানো ও পেশির সংকোচনের ফলে খাদ্য ছোট ছোট টুকরায় পরিণত হয়, যা রাসায়নিক পরিপাকের জন্য সহজ হয়। 
লালা, পাকস্থলীর রস, অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের উৎসেচক (যেমন টায়ালিন, অ্যামাইলেজ, পেপসিন, লাইপেজ) খাদ্যের জটিল উপাদানকে সরল উপাদানে ভাঙতে সাহায্য করে। 
শোষণ (Absorption): 
সরল ও দ্রবণীয় খাদ্য উপাদান (যেমন গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড) ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে রক্তে শোষিত হয়। 
মলত্যাগ (Egestion/Elimination): 
অপরিপাককৃত খাদ্যাংশ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। 
কোথায় কী ঘটে:
মুখ: 
লালারসে থাকা টায়ালিন উৎসেচক শর্করা ভাঙতে শুরু করে এবং খাদ্য পিচ্ছিল হয়। 
পাকস্থলী: 
অ্যাসিড ও উৎসেচকের সাহায্যে আমিষের আংশিক পরিপাক হয়। 
ক্ষুদ্রান্ত্র: 
পিত্তরস, অগ্ন্যাশয় রস ও আন্ত্রিক রসের সাহায্যে শর্করা, আমিষ ও ফ্যাটের সম্পূর্ণ পরিপাক ও শোষণ ঘটে। 
মন্তব্য করুন