Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা বংশাণু প্রকৌশল হলো কৃত্রিমভাবে কোনো জীবের ডিএনএ (DNA) বা বংশাণুর পরিবর্তন, সংযোজন বা অপসারণের প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জীবের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা হয়। এর সাহায্যে বিজ্ঞানীরা একটি নির্দিষ্ট জিনকে অন্য জীবের ডিএনএ-তে প্রবেশ করিয়ে বা কোনো জিনকে উন্নত করে নতুন ও কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব তৈরি করতে পারেন, যা কৃষি (রোগ-প্রতিরোধী ফসল) ও চিকিৎসাবিদ্যায় (ইনসুলিন উৎপাদন) ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 
মূল ধারণা:
  • ডিএনএ ম্যানিপুলেশন: জীবের জেনেটিক মেকআপ পরিবর্তন করা, যেমন একটি নির্দিষ্ট বেস পরিবর্তন করা, একটি অংশ মুছে ফেলা বা নতুন ডিএনএ যুক্ত করা।
  • রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি: একটি জীবের ডিএনএ থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন আলাদা করে অন্য একটি জীবে স্থাপন করা 
প্রক্রিয়ার ধাপ (সংক্ষেপে):
  1. জিন নির্বাচন: কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য বহনকারী জিনটি চিহ্নিত করা ও আলাদা করা।
  2. ভেক্টর/প্লাজমিড তৈরি: জিনটিকে বহন করার জন্য একটি বাহক (যেমন প্লাজমিড) তৈরি করা।
  3. রূপান্তর (Transformation): বাহকটিকে হোস্ট কোষে প্রবেশ করানো।
  4. হোস্ট কোষে সন্নিবেশ: হোস্ট জেনোমে ডিএনএ যুক্ত করা।
  5. নিশ্চিতকরণ: নতুন বৈশিষ্ট্যটি সফলভাবে এসেছে কিনা তা যাচাই করা। 
ব্যবহার ও প্রয়োগ:
  • চিকিৎসাবিদ্যা: ইনসুলিন, গ্রোথ হরমোন এবং ভ্যাকসিন তৈরি।
  • কৃষি: অধিক ফলনশীল, পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এবং রোগ-প্রতিরোধী শস্য উৎপাদন (Genetically Modified Crops)।
  • গবেষণা: নতুন জীবন সৃষ্টি ও রোগের কারণ অনুসন্ধান। 
জনক:

  • পল বার্গ (Paul Berg) কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জনক বলা হয়, যিনি ১৯৭২ সালে প্রথম রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ তৈরি করেন। 
মন্তব্য করুন

ব্লগ