Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৮:০৬ পূর্বাহ্ণ

জেনেটিক ডিসঅর্ডার বা জিনগত রোগ
জেনেটিক ডিসঅর্ডার বা জিনগত রোগ হলো এমন স্বাস্থ্য সমস্যা যা জিন বা ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতার কারণে ঘটে এবং পিতামাতার কাছ থেকে আসতে পারে বা নতুনভাবে তৈরি হতে পারে, যার ফলে প্রোটিন তৈরি ব্যাহত হয়, যেমন ডাউন সিনড্রোম, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, সিকেল সেল অ্যানিমিয়া ইত্যাদি। এগুলি একক জিনে পরিবর্তন (মনোজেনিক), একাধিক জিনের মিথস্ক্রিয়া (মাল্টিফ্যাকটোরিয়াল) বা ক্রোমোজোমের গঠনের ত্রুটির (ক্রোমোজোমাল) কারণে হতে পারে। 
প্রকারভেদ
  • মনোজেনিক ডিসঅর্ডার: একটি একক জিনের পরিবর্তনের ফলে ঘটে (যেমন: সিস্টিক ফাইব্রোসিস, সিকেল সেল ডিজিজ, হান্টিংটনের রোগ)।
  • মাল্টিফ্যাকটোরিয়াল ডিসঅর্ডার: একাধিক জিনের পরিবর্তন এবং পরিবেশগত কারণের (যেমন: খাদ্যাভ্যাস, জীবনধারা) সম্মিলিত প্রভাবে হয় (যেমন: বেশিরভাগ ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ)।
  • ক্রোমোজোমাল ডিসঅর্ডার: ক্রোমোজোমের সংখ্যা বা গঠনগত ত্রুটির কারণে হয় (যেমন: ডাউন সিনড্রোম, টার্নার সিনড্রোম, ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম)। 
কারণ
  • পারিবারিক: পিতামাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত (যেমন: ডিম বা শুক্রাণু কোষের মাধ্যমে)।
  • নতুন মিউটেশন: জীবনের কোনো এক পর্যায়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বা পরিবেশগত কারণে (রাসায়নিক, বিকিরণ, ধূমপান, সূর্যের আলো) জিনে পরিবর্তন। 
উদাহরণ
  • মনোজেনিক: সিস্টিক ফাইব্রোসিস, সিকেল সেল অ্যানিমিয়া, মাসকুলার ডিস্ট্রফি।
  • মাল্টিফ্যাকটোরিয়াল: আলঝাইমার, অটিজম, মাইগ্রেন।
  • ক্রোমোজোমাল: ডাউন সিনড্রোম (অতিরিক্ত ক্রোমোজোম ২১), ফ্র্যাজাইল এক্স সিনড্রোম। 
মন্তব্য করুন