রেটিনা স্ক্যান হলো চোখের পেছনের অংশ, অর্থাৎ রেটিনার বিস্তারিত ছবি তোলার একটি নিরীহ (painless) এবং নিরাপদ পদ্ধতি, যা
ডায়াবেটিস, গ্লুকোমা,
ম্যাকুলার ডিজেনারেশন-এর মতো রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় ও পর্যবেক্ষণে সাহায্য করে; এটি একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করে রেটিনার রক্তনালী ও স্নায়ুর প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে, যা রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি বায়োমেট্রিক সুরক্ষাতেও ব্যবহৃত হয়, যেখানে ব্যক্তির চোখের রক্তনালীর অনন্য প্যাটার্ন একটি শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য হিসেবে কাজ করে।
রেটিনা স্ক্যান কী?
- এটি চোখের রেটিনা, রক্তনালী এবং অপটিক নার্ভের একটি উচ্চ-রেজোলিউশনের ছবি তোলে।
- এর মাধ্যমে চোখের বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি, গ্লুকোমা ইত্যাদি প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে, যা দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি কমায়।
কেন রেটিনা স্ক্যান করা হয়?
- রোগ নির্ণয়: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, গ্লুকোমা, ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের মতো রোগের কারণে রেটিনার ক্ষতি নির্ণয় ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- প্রাথমিক সনাক্তকরণ: অনেক সময় রোগের কোনো লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই রেটিনা স্ক্যানের মাধ্যমে তা ধরা পড়ে।
- বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ: এটি ব্যক্তির চোখের রক্তনালীর অনন্য প্যাটার্ন ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ব্যবহৃত হয়।
পদ্ধতিটি কেমন?
- এটি একটি দ্রুত, ব্যথাহীন এবং অ-আক্রমণাত্মক প্রক্রিয়া।
- একটি বিশেষ ক্যামেরা চোখের পেছনের অংশের ছবি তোলে, অথবা অপটিক্যাল কোহেরেন্স টমোগ্রাফি (OCT) এর মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- অনেক ক্ষেত্রে চোখের পিউপিল (pupil) বড় করার জন্য ড্রপ ব্যবহার করা হতে পারে, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার জন্য দৃষ্টি ঝাপসা বা আলোতে অস্বস্তি হতে পারে।
কারা রেটিনা স্ক্যান করাবেন?
- যাদের ডায়াবেটিস, গ্লুকোমা বা চোখের রোগের পারিবারিক ইতিহাস আছে।
- যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে।
- সাধারণ চোখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ।
১
১ মন্তব্য