সহকারী শিক্ষক
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৩ অপরাহ্ণ
পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট প্রদানের অধিকার
পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট প্রদানের অধিকার!
রায়হান সাহেব পেশায় একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। কর্মস্থল বাড়ি থেকে বেশ দূরে। পেশাগত দায়িত্ববোধের কারণে প্রায়ই তাঁকে নির্বাচনের সময় অন্য উপজেলায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে সর্বশেষ দুটি জাতীয় নির্বাচনে তিনি নিজের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারেননি। ভোটাধিকার থাকলেও বাস্তবে ভোট দেওয়া হয়ে ওঠেনি।
কিন্তু এবার বিষয়টি ভিন্ন। নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পোস্টাল ভোট ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও ডিজিটাল করা হয়েছে। নির্বাচন যত দূরেই হোক না কেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোটাররা যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন,এই লক্ষ্যেই চালু হয়েছে পোস্টাল ভোটের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা।
রায়হান সাহেব একটি এসএমএস পান, যেখানে জানানো হয় পোস্টাল ভোটের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এসএমএসে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি গুগল প্লে স্টোর থেকে পোস্টাল ভোটের অ্যাপ ডাউনলোড করেন। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, কর্মস্থলের তথ্য, নির্বাচনী দায়িত্ব সংক্রান্ত বিবরণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।রেজিস্ট্রেশন শেষে তিনি জানতে পারেন,নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট সংগ্রহ করতে হবে গোপনীয়ভাবে ভোট প্রদান করে তা নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
এই ভোট সাধারণ ভোটের মতোই গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে।সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায়হানের মনে গভীর তৃপ্তি আসে। দীর্ঘদিন পর তিনি বুঝতে পারেন,রাষ্ট্র শুধু দায়িত্বই চাপায় না, নাগরিকের অধিকার রক্ষার পথও তৈরি করে। এবার আর ভোট দেওয়ার সুযোগ হারাতে হবে না। দায়িত্ব যত দূরেই হোক, তাঁর ভোট ঠিকই গণতন্ত্রের অংশ হবে,পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে।
৩
৩ মন্তব্য