কঠিন পদার্থ হলো পদার্থের এমন একটি অবস্থা যেখানে অণু-পরমাণুগুলো খুব কাছাকাছি ও দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে, ফলে এদের নির্দিষ্ট আকার, আকৃতি ও আয়তন থাকে এবং এরা সহজে সংকুচিত হয় না বা প্রবাহিত হয় না, কেবল নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কাঁপতে পারে। কঠিন পদার্থের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন, উচ্চ ঘনত্ব, কম সংকোচনযোগ্যতা এবং দৃঢ়তা; উদাহরণস্বরূপ, পাথর, কাঠ, বরফ, ধাতু ইত্যাদি।
- নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন: এদের নিজস্ব আকৃতি ও আয়তন থাকে এবং এরা পাত্রের আকার ধারণ করে না বা স্থান পূরণ করে না।
- দৃঢ় আন্তঃআণবিক শক্তি: অণু-পরমাণুগুলো শক্তিশালী আকর্ষণ বল দ্বারা আবদ্ধ থাকে, যা এদেরকে দৃঢ় করে।
- সীমিত গতি: কণাগুলো মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না, শুধু নিজ নিজ অবস্থান থেকে কম্পিত হতে পারে।
- কম সংকোচনযোগ্যতা: কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকায় এদেরকে চাপ দিয়ে সংকুচিত করা কঠিন।
- উচ্চ ঘনত্ব: তরল বা গ্যাসের তুলনায় ঘনত্ব বেশি থাকে।
- স্ফটিক (Crystalline) কঠিন: পরমাণুগুলো সুনির্দিষ্ট ও নিয়মিত বিন্যাসে সজ্জিত থাকে (যেমন: লবণ, ধাতু)।
- অনিরাকার (Amorphous) কঠিন: পরমাণুগুলোর কোনো নির্দিষ্ট বিন্যাস থাকে না (যেমন: কাচ, প্লাস্টিক)।
- পাথর, কাঠ, বরফ, লোহা, চিনি, কাচ।
৭
৬ মন্তব্য