Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

ইনক্লুশিভ এডুকেশন ; শিক্ষার্থীর বিকাশ - বর্ধন ও নিয়ন্ত্রন

*ইনক্লুশিভ এডুকেশন ; শিক্ষার্থীর বিকাশ - বর্ধন ও নিয়ন্ত্রন :* 


 *ভূমিকা* : বিশ্বনাগরিক গড়ার বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে পরিচালিত ও    বাস্তবায়িত  হচ্ছে  সর্বশেষ জাতীয় শিক্ষা নীতি। 

তথাপি, বাস্তব চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগের।  সীমাহীন বৈপরীত্য, ব্যর্থতা ও  অন্ত:সারশূন্যতা  পরিলক্ষিত হয় অধিকাংশ শিক্ষাঙ্গনে। 

শৃঙ্খলা, একাগ্রতা ও মনোযোগিতা, অধ্যবসায়, পাঠাভ্যাস, সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম,  সৃজনশীলতা ও আধ্যাত্মিকতা, নন্দনতত্ত্ব,  শিল্প - শৌকর্য, সামাজিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের আদর্শ  সর্বপরি --- ইনক্লুশিভ এডুকেশন  বাস্তবায়নে  বিদ্যালয়ের অর্জন তলানীতে। 

শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যপক বিচ্ছিন্নতা,   বিদ্যালয় ও অভিভাবকের নিয়ন্ত্রণহীনতা, ফি প্রদান ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধে অত্যন্ত নেতিবাচকতা, পশ্চাৎপদতা, প্রাথমিক পরবর্তী অভিযোজন ও ছাত্র-শিক্ষক পারস্পরিক সম্পর্কে সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট । বিশেষ করে, অধুনা  গ্রামীন পরিমন্ডলে এই সমষ্যাগুলি প্রকট। 

সেজন্য, শিক্ষায় ইনক্লুশন নিশ্চিতকল্পে নিন্মচয়িত পরিকল্পনা অবলম্বন অবসম্ভাবী :

১. সমগ্র শিক্ষাবর্ষ অত্যন্ত ইভেন্টফুল ও অংশগ্রহণমূলক করতে বছরব্যাপী বাস্তবায়নযোগ্য পূর্ব  পরিকল্পনা  প্রনয়ণ করতে হবে। 

2. শৃঙ্খলা, হাজিরা, শিস্টাচার , নিয়মানুবর্তিতা পর্যালোচনা সাপেক্ষে ক্রেডিট মার্ক প্রচলন। 

3. সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও অবদানের জন্য ক্রেডিক মার্কস প্রচলন ।

4. বয়েজ স্কাউটিং ও গার্ল গাইডিং এ অবদানের জন্য ক্রেডিট মার্কস। 

5. প্রকল্প ও বিজ্ঞান মেলায় ক্রেডিট মার্কস। 

6. উপবৃত্তিমূলক পরীক্ষায় কৃতিত্বের জন্য। 

7. আবৃত্তি, অভিনয়, সঙ্গীত, সাহিত্য সৃজন এর জন্য ক্রেডিট মার্ক। 

8. সমাবেশ পরিচালনা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে নৈপুণ্যের জন্য ক্রেডিট মার্ক। 

9. ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্যারেন্টস মিটিং ইত্যাদিতে সরব উপস্তিতির জন্য ক্রেডিট মার্ক। 

10. হাউজ টিচার, গাইড টিচার, সাবজেক্ট টিচার, গেমস টিচার, শৃঙ্খলা টিচার এর রিপোর্ট এর ভিত্তিতে ক্রেডিট মার্ক। 

11. শিক্ষক-শিক্ষার্থী পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া উন্নয়নের লক্ষ্যে উভয়ের অংশগ্রহণে মাসওয়ারি কালচারাল ডে, লিটারেরি ডে, কাউন্সেলিং ডে পরিচালনা করতে হবে। 

সর্বপরি, বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীর আগ্রহ ও আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত করতে হবে। এখানে শিক্ষক হবেন শিক্ষার্থীর সর্বাপেক্ষা আপনজন। শিক্ষক হবেন   যুগপৎ গাইড ও  উত্তম সঙ্গী। ভয় নয় শিক্ষার্থীর মনে শিখন অর্জনের আনন্দ, একইসাথে  অসংলগ্ন আচরনের ক্ষেত্রে অপরাধবোধ জাগ্রত হওয়ার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তেমনিভাবে, উত্তম কার্জের জন্য প্রেষনাদায়ক পুরস্কার প্রবর্তন করতে হবে। 


এরফলে শিক্ষার্থীর বিচ্ছিন্নতাবোধ, নিয়ন্ত্রণহীনতা, পশ্চাৎপদতা,  অনাগ্রহ ও ঝরে পড়া প্রবণতা হ্রাস পাবে।

মন্তব্য করুন