Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ

শিক্ষা হোক সহানুভূতির মাধ্যমে

শিক্ষা হোক সহানুভূতির মাধ্যমে! 


শিক্ষকদের স্থান সম্ভবত পিতা-মাতার পরেই। শিক্ষকগণ প্রকৃত শিক্ষা গুরু। পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে তাঁরা নৈতিকতা, মানবিকতা ও জীবনবোধের নানা দিক শিক্ষার্থীদের শেখান। শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে তাঁদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকে না—অনেকেই নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেন। এজন্য সকল শিক্ষকের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা।

তবে একটি বিষয়ে আমার স্পষ্ট মতবিরোধ আছে—তা হলো শিক্ষার্থীদের উপর শারীরিক শাস্তি প্রয়োগ। কোমলপ্রাণ শিশুদের শরীরে আঘাত করা, পড়া না পারার কারণে শাস্তি দেওয়া—এ কেমন শিক্ষা? ওরাও তো ব্যথা পায়, কাঁদে, ভয় পায়; কিন্তু ভয়ের কারণে অনেক সময় কিছু বলতেও পারে না।

প্রশ্ন হলো, পড়া না পারা কি শুধুই শিক্ষার্থীদের দোষ? একেবারেই না। এই দায় বাবা-মা ও শিক্ষকদেরও। ঠিকভাবে শেখাতে না পারলে, অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হলে শিক্ষার্থীরা পড়া শিখবে কীভাবে? এমন কথা বললে কি খুব বেশি বলা হয়?

শারীরিক শাস্তি কি সত্যিই সব সমস্যার সমাধান? নাকি তা ভয় তৈরি করে শেখার আগ্রহকে আরও দূরে ঠেলে দেয়? শিক্ষা হোক ভালোবাসা, ধৈর্য আর সহানুভূতির মাধ্যমে—ভয়ের মাধ্যমে নয়।

মন্তব্য করুন