বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হলো
"আমার সোনার বাংলা", যা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছেন; এটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে লেখা হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালের <
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এটি অনুপ্রেরণার উৎস ছিল, যা পরে ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়, এবং এর সুর বাউল গায়ক
গগন হরকরার গান থেকে নেওয়া।
মূল বিষয়:
- রচয়িতা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
।
পটভূমি: ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রচিত হয়েছিল।
সুর: বাউল গায়ক গগন হরকরার "আমি কোথায় পাব তারে" গান থেকে নেওয়া।
আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি: ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়।
গুরুত্ব: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি বাঙালি জাতির প্রেরণা ও প্রতিরোধের প্রতীক ছিল।
বিষয়বস্তু: গানটি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, গ্রামীণ জীবন এবং মাতৃভূমিকে নিয়ে রচিত, যেখানে বাংলাকে মায়ের মতো ভালোবাসার কথা বলা হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ রূপ (প্রথম ১০ লাইন):
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে,ঘ্রাণে পাগল করে,
ও মা, অঘ্রাণে তোর ভরা ক্ষেতে, কী দেখেছি মধুর হাসি।
৭১
১৪৫ মন্তব্য