পদার্থের সৃষ্টি বিগ ব্যাং-এর পর মহাবিশ্বের প্রসারণ ও শীতল হওয়ার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত, যেখানে শক্তি থেকে কোয়ার্ক ও ইলেকট্রনের মতো মৌলিক কণা তৈরি হয় এবং পরে প্রোটন ও নিউট্রনে পরিণত হয়, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস গঠন করে; তবে, পদার্থ ও প্রতিপদার্থের মধ্যে সামান্য পার্থক্য (
Baryogenesis) কেন মহাবিশ্বে পদার্থের আধিক্য ঘটিয়েছে তা পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম বড় অমীমাংসিত রহস্য।
- বিগ ব্যাং ও কোয়ার্ক-গ্লুয়ন প্লাজমা: বিগ ব্যাং-এর ঠিক পরে, মহাবিশ্ব ছিল অত্যন্ত উত্তপ্ত ও ঘন, যা কোয়ার্ক, গ্লুয়ন এবং অন্যান্য মৌলিক কণার "গরম স্যুপ" বা প্লাজমা অবস্থায় ছিল।
- শীতলীকরণ ও কণা গঠন: মহাবিশ্ব প্রসারিত ও শীতল হওয়ার সাথে সাথে, শক্তি থেকে পদার্থ তৈরি হতে শুরু করে। ফোটন থেকে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন তৈরি হয়, যা পরমাণু গঠন করে।
- তাত্ত্বিকভাবে, পদার্থ ও প্রতিপদার্থ (antimatter) সমান পরিমাণে তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বেশিরভাগই একে অপরকে ধ্বংস করে শক্তিতে পরিণত হয়।
- কিছু পদার্থবিজ্ঞানী মনে করেন, প্রাথমিক মহাবিশ্বে পদার্থ ও প্রতিপদার্থের মধ্যে একটি সামান্য ভারসাম্যহীনতা ছিল, যার ফলে কিছু অতিরিক্ত পদার্থ অবশিষ্ট ছিল এবং এই অতিরিক্ত পদার্থ থেকেই আজকের মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তু তৈরি হয়েছে।
- পার্টিকেল অ্যাক্সিলারেটরে (যেমন CERN-এ) উচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে ফোটন থেকে মৌলিক কণা জোড়া তৈরি করা সম্ভব।
- মহাবিশ্বের শুরুতে এই প্রক্রিয়াটিই ঘটেছিল, যেখানে শক্তি ঘনত্ব এত বেশি ছিল যে ফোটন থেকে পদার্থের মৌলিক উপাদানগুলো তৈরি হতে পেরেছিল।
১
১ মন্তব্য