Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৯:২০ অপরাহ্ণ

রাজা রামমোহন রায় এর জীবনী

রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩) ছিলেন আধুনিক ভারতের জনক, যিনি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার, শিক্ষা প্রসার এবং রাজনৈতিক জাগরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন; তিনি সতীদাহ প্রথার বিলোপ (১৮২৯) ও ব্রাহ্মসমাজ (১৮২৮) প্রতিষ্ঠা এবং পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে তাঁর প্রধান অবদান, যা < বাংলার নবজাগরণ-এর পথ প্রশস্ত করে। 

জন্ম ও শিক্ষা:

জন্ম: ২২ মে ১৭৭২, হুগলি জেলার রাধানগর গ্রামে।

পিতা: রামকান্ত রায়।

শিক্ষা: তিনি ফারসি, আরবি, সংস্কৃত, ইংরেজি, ফরাসি, গ্রিক এবং ল্যাটিন ভাষায় পারদর্শী ছিলেন, যা তাঁকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য জ্ঞানকে সমন্বিত করতে সাহায্য করে। 

সংস্কারমূলক কাজ:

সতীদাহ প্রথা: সতীদাহ প্রথা বিলোপের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেন এবং তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় লর্ড < উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথাকে আইনত নিষিদ্ধ করেন (১৮২৯)।

ব্রাহ্মসমাজ: < ১৮২৮ সালে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা < হিন্দুধর্মের কুসংস্কার ও < অন্ধবিশ্বাস দূর করে < একেশ্বরবাদ প্রচারে কাজ করে।

নারী অধিকার: বাল্যবিবাহ, < বহুবিবাহ এবং < বিধবা< < বিবাহের পক্ষে ছিলেন; < নারী শিক্ষা ও সম্পত্তির অধিকারের জন্য < লড়াই করেন।

শিক্ষা: পাশ্চাত্য শিক্ষা ও < আধুনিক শিক্ষার প্রসারে < গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। 

যোগাযোগ ও রাজনীতি:

সংবাদপত্র: 'সমাচার দর্পণ' (বাংলা) ও 'মিরাত-উল-আখবার' (ফারসি) প্রকাশ করেন।

রাজনৈতিক ধারণা: < জেরেমি বেন্থামের দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়ে < রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা গড়ে তোলেন। 

মৃত্যু:

২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৩৩, < ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলে তাঁর জীবনাবসান হয়। 

রাজা রামমোহন রায়কে 'ভারতের নবজাগরণের অগ্রদূত' এবং 'আধুনিক ভারতের জনক' বলা হয়, কারণ তাঁর কাজগুলো ভারতকে এক নতুন যুগের দিকে চালিত করেছিল। 

মন্তব্য করুন