জীবের শ্রেণীবিন্যাস হলো সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে জীবদের সুশৃঙ্খলভাবে বিভিন্ন দল ও উপদলে ভাগ করার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যা ডোমেইন, জগৎ (রাজ্য), পর্ব/বিভাগ, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ এবং প্রজাতি—এই স্তরগুলো অনুসরণ করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কোটি কোটি জীবের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা এবং তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী একটি সুশৃঙ্খল বিন্যাস তৈরি করা, যার জনক হলেন ক্যারোলাস লিনিয়াস।
শ্রেণীবিন্যাসের প্রধান ধাপ (Taxonomic Ranks)
জীবকে বড় থেকে ছোট পর্যায়ে ভাগ করা হয়:
- ডোমেইন (Domain): সবচেয়ে বড় একক (যেমন: Eukarya, Archaea, Bacteria)।
- জগৎ/রাজ্য (Kingdom): যেমন: Animalia (প্রাণী), Plantae (উদ্ভিদ), Fungi (ছত্রাক), Protista, Monera।
- পর্ব
/বিভাগ (Phylum/Division):
যেমন: Chordata (মেরুদণ্ডী প্রাণী)
।
শ্রেণি (Class): যেমন: Mammalia (স্তন্যপায়ী)। বর্গ (Order): যেমন: Primates (প্রাইমেট)। গোত্র (Family): যেমন: Hominidae (হোমিনিড)। প্রজাতি (Species): সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট একক (যেমন: sapiens)। কেন শ্রেণীবিন্যাস করা হয়?
- জীবজগতের বিশাল বৈচিত্র্যকে সহজভাবে বোঝার জন্য।
- জীবদের মধ্যেকার বিবর্তনীয় সম্পর্ক ও মিল-অমিল খুঁজে বের করতে।
- নির্দিষ্ট কোনো জীবকে সহজে শনাক্ত ও নামকরণ করতে।
আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের মূল ভিত্তি
আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস শুধু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে না, বরং কোষের গঠন, জেনেটিক গঠন (DNA) এবং বিবর্তনীয় ইতিহাসকেও বিবেচনা করে।
৫৩
৯১ মন্তব্য