Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:৪১ অপরাহ্ণ

মহাগ্রন্থ আল কুরআন পরিচিতি

পবিত্র কুরআন ইসলামের প্রধান ও কেন্দ্রীয় ধর্মীয় গ্রন্থ, যা মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলার বাণী। ফেরেশতা জিব্রাইলের (আ.) মাধ্যমে নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর উপর দীর্ঘ ২৩ বছরে অবতীর্ণ এই আরবি গ্রন্থটি মানবজাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, যা ১১৪টি সূরা ও ৬,০০০-এর বেশি আয়াত নিয়ে গঠিত এবং এর মূল লক্ষ্য একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করা [১, ৪, ৫, ৯]। 

কুরআন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাবলী নিচে দেওয়া হলো:

অবতীর্ণ ও সংরক্ষণ: ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র রমজান মাসে মক্কার হেরা গুহায় প্রথম নাজিল শুরু হয় এবং ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তা অবতীর্ণ হয় [২, ৪]। এটি মূল আরবি ভাষায় সংরক্ষিত এবং এটি একটি মুজিজা বা অলৌকিক গ্রন্থ [১]।

গঠন: কুরআনে ১১৪টি সূরা (অধ্যায়) রয়েছে, যা দীর্ঘ থেকে ক্রমানুসারে সাজানো [৩, ৫]। এতে প্রায় ৬,২০০ বা তার বেশি আয়াত (বচন) রয়েছে (গণনার ভিন্নতার ওপর নির্ভর করে) [৫, ১১]। এটি পাঠের সুবিধার্থে ৩০টি সমপরিমাণ ভাগে বিভক্ত, যাকে 'পারা' বা 'জুজ' বলা হয় [৮]।

বিষয়বস্তু: কুরআনের মূল বিষয়বস্তু হলো আল্লাহর একত্ববাদ (তাওহীদ), মানবজীবনের সঠিক পথনির্দেশনা, নৈতিকতা, ঈমান, পরকাল, জান্নাত-জাহান্নামের বর্ণনা, এবং পূর্ববর্তী নবী ও জাতির কাহিনী [৮, ৯]।

মূল্যবোধ ও তাৎপর্য: এটি কেবল ধর্মীয় গ্রন্থই নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা, যা মানুষের ইহকাল ও পরকালের সফলতা নিশ্চিত করে [১, ৭, ৯]।

সংরক্ষণ: আল্লাহ নিজেই কুরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন, ফলে এটি চিরকাল অবিকৃত থাকবে [১০, ১২]। 

কুরআন মানবজাতির জন্য হেদায়েত বা পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে [৭]। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ