Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:০৪ অপরাহ্ণ

ব্লুটুথ - (Bluetooth)

ব্লুটুথ (Bluetooth) হলো একটি স্বল্প দূরত্বের তারহীন যোগাযোগ প্রযুক্তিযা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে। ১৯ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে টেলিকম কোম্পানি এরিকসন (Ericsson) প্রথম এই প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করে। এর নামকরণ করা হয়েছে দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ-এর নামানুসারে। নিচে ব্লুটুথ প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যব্যবহার এবং সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হলো:

 

ব্লুটুথ কীভাবে কাজ করে?

ব্লুটুথ প্রযুক্তি মূলত ISM ব্যান্ড (Industrial, Scientific, and Medical) এর 2.4 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। এটি ১০ থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে থাকা ডিভাইসগুলোর মধ্যে একটি ক্ষুদ্র নেটওয়ার্ক তৈরি করেযাকে বলা হয় পিকনেট (Piconet)। একটি পিকনেটে একসাথে সর্বোচ্চ ৮টি ডিভাইস যুক্ত থাকতে পারে

 

ব্লুটুথের প্রধান ব্যবহারসমূহ

¨     ফাইল আদান-প্রদান: স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের মধ্যে ছবিগান বা ছোট ফাইল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়

¨     ওয়্যারলেস অডিও: ব্লুটুথ হেডফোনইয়ারবাডস বা স্পিকারের মাধ্যমে গান শোনা বা কথা বলা

¨     পেরিফেরাল ডিভাইস: মাউসকীবোর্ড বা প্রিন্টারকে তার ছাড়াই কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা

¨     স্মার্ট গেজেট: স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ডের সাথে ফোনের সংযোগ স্থাপন

¨     গাড়ির হ্যান্ডস-ফ্রি সিস্টেম: গাড়ি চালানোর সময় ফোনের সাথে গাড়ির অডিও সিস্টেম যুক্ত করা

 

ব্লুটুথের সুবিধাসমূহ

¨     তারহীন সংযোগ: কোনো ক্যাবল ছাড়াই ডিভাইস কানেক্ট করা যায়

¨     সহজ ব্যবহার: এটি ব্যবহারের জন্য কোনো বাড়তি কনফিগারেশন বা ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয় না

¨     কম খরচ: ব্লুটুথ চিপ তৈরি করা এবং ব্যবহার করা খুবই সাশ্রয়ী

¨    অটোমেটিক কানেকশন: একবার পেয়ার (Pair) করা থাকলে ডিভাইসগুলো রেঞ্জের মধ্যে আসবামাত্র অটোমেটিক কানেক্ট হয়ে যায়

 

সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা

¨     সীমিত দূরত্ব: রেঞ্জের বাইরে চলে গেলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়

¨     নিরাপত্তা ঝুঁকি: ব্লুটুথ অন রাখা থাকলে হ্যাকাররা অনেক সময় Bluejacking বা Bluesnarfing-এর মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তাই অপরিচিত ডিভাইস থেকে কানেকশন রিকোয়েস্ট গ্রহণ করা উচিত নয়

মন্তব্য করুন

ব্লগ