Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২৩ অপরাহ্ণ

ওজন কমাতে ওটস এর ভূমিকা

ওজন কমাতে প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় বা রাতের খাবারে আধা কাপ (শুকনো) ওটস, পানি বা লো-ফ্যাট দুধে রান্না করে খান। ফাইবার সমৃদ্ধ ওটসের সাথে প্রোটিন (ডিম/বাদাম) ও ফল মিশিয়ে খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে ও ক্ষুধা কমে [১, ১০, ১২]। স্বাদ বাড়াতে চিনি পরিহার করে মধু ব্যবহার করুন এবং প্রক্রিয়াজাত ইন্সট্যান্ট ওটসের বদলে স্টিল-কাট বা রোল্ড ওটস বেছে নিন [৩, ৮, ১০]। 

ওজন কমানোর জন্য ওটস খাওয়ার সেরা কিছু নিয়ম:

সকালের নাস্তায় (Best Time): সবচেয়ে কার্যকরী হলো সকালে ওটমিল খাওয়া, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমায় [১৪]।

রান্নার পদ্ধতি: ওটস পানি অথবা লো-ফ্যাট দুধ দিয়ে রান্না করুন। এটি ক্যালোরি কম রাখতে সাহায্য করে [৪]।

স্বাস্থ্যকর টপিং: ওটসের সাথে বিভিন্ন বাদাম, চিয়া সিড, কাঠবাদাম, খেজুর বা মিষ্টি ফল (আপেল, কলা, বেরি) যোগ করুন [৩, ১১]।

সবজির ওটস (ওটস খিচুড়ি): ওটসের সাথে নানা রকমের সবজি (গাজর, মটরশুটি, ব্রোকলি) মিশিয়ে সবজি ওটস বা খিচুড়ি তৈরি করতে পারেন, যা অত্যন্ত পুষ্টিকর [৩, ১১]।

ওভারনাইট ওটস (Overnight Oats): রাতে ওটস দুধে ভিজিয়ে রেখে সকালে নাস্তায় খাওয়া যেতে পারে, যা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে [৫]।

চিনি বর্জন: ওটসের সাথে কখনোই চিনি বা গুড় মেশাবেন না [৩]। 

যা পরিহার করবেন:

১. ইনস্ট্যান্ট ফ্লেভারড ওটস (এতে চিনি থাকে) [৮]।

২. অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত টপিং যেমন—চকোলেট সিরাপ বা মাখন [৩]।

৩. ওটস খাওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য খাবারেও ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন [৬]। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ