সহকারী শিক্ষক
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
হিমালয় পর্বত সম্পর্কে জানা
হিমালয় এশিয়ার একটি সুবিশাল ও নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালা, যা তিব্বত মালভূমি থেকে ভারতীয় উপমহাদেশকে পৃথক করেছে [১, ৩, ৪]। প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পর্বতমালা নেপাল, ভারত, ভুটান, চীন ও পাকিস্তানে বিস্তৃত এবং এখানে মাউন্ট এভারেস্ট (\(,.\) মিটার) সহ বিশ্বের সর্বোচ্চ ১০০টির বেশি শৃঙ্গ রয়েছে [১, ৭, ১০]। এটি বরফের বিশাল উৎস হওয়ায় "তৃতীয় মেরু" নামেও পরিচিত [৮]। হিমালয় পর্বত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: অবস্থান ও বিস্তৃতি: হিমালয় পশ্চিমে সিন্ধু নদ থেকে পূর্বে ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত প্রায় ২,৫০০ কিমি দীর্ঘ একটি অর্ধবৃত্তাকার আকৃতিতে বিস্তৃত [২, ৭]। এটি পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান এবং চীনের অংশ জুড়ে রয়েছে [৫]।সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট (\(,\) মিটার) হিমালয়ে অবস্থিত [১]। এছাড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা, কে২ (কারাকোরাম রেঞ্জে, হিমালয়ের অংশবিশেষ) সহ বিশ্বের ১০টি সর্বোচ্চ শিখর এখানেই রয়েছে [৫, ১০]।সৃষ্টি: প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর আগে টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে এই ভঙ্গিল পর্বতমালার সৃষ্টি হয়েছে [৪, ১১]। এটি বিশ্বের অন্যতম নবীন পর্বতমালা [৭]।জলবায়ু ও পরিবেশগত গুরুত্ব: হিমালয় দক্ষিণ এশিয়ার জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং মৌসুমি বায়ুকে বাধা দিয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় [১২]। এটি এশিয়ার ১৯টি প্রধান নদীর উৎস [১০]।তৃতীয় মেরু: আন্টার্কটিকা ও আর্টিকের পর হিমালয়ই বরফের সবচেয়ে বড় আধার, যা বিশ্বের বিশুদ্ধ পানির অন্যতম প্রধান উৎস [৮]।সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক তাৎপর্য: এটি ভারতীয় উপমহাদেশকে বাইরের দেশ থেকে রক্ষাকারী প্রাচীর হিসেবে কাজ করে [১২]। পাশাপাশি, হিমালয় হিন্দু, বৌদ্ধ ও বিভিন্ন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান এবং প্রচুর মঠ ও তীর্থস্থান রয়েছে [৬]।ভৌগোলিক তথ্য: হিমালয়ের উপত্যকার বিচ্ছিন্নতার কারণে এখানে ব্যাপক জীববৈচিত্র্য রয়েছে এবং প্রায় ৩০০ প্রজাতির প্রাণী পাওয়া যায় [৬, ১০]। বাংলাদেশ সরাসরি হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত না হলেও এর পাদদেশে অবস্থিত, যার ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল থেকে পরিষ্কার দিনে হিমালয়ের অংশ বিশেষ দৃশ্যমান হয়
৩
৩ মন্তব্য